আসমানীরা তিন বোন – হুমায়ূন আহমেদ বই পিডিএফ ডাউনলোড

0
23

আসমানীরা তিন বোন – হুমায়ূন আহমেদ বই পিডিএফ ডাউনলোড

Book Detail  

Book/Note Nameআসমানীরা তিন বোন
Authorহুমায়ূন আহমেদ
Publisher
Editions
Total pages94
CategoriesBook Download
PDF QualityHigh
Size17 MB
Downloading status FREE | Buy This Full Book

আসমানীরা তিন বোন “একটা পয়সা দেনগো” বাবা বলে ভিক্ষারত আসমানী-জামদানীর বাবা জমির আলীর কাছে যখন খবর আসে তার আর একটা কন্যা সন্তান হয়েছে তখন পয়সা কথাটা মুখে ছিল বলে কন্যার নাম রাখে সে পয়সা । আসমানী, জামদানী এবং পয়সা তিন বোন। তিন বোনই বাবার অতি আদরের।

অতি দার্শনিক ভাবধারার অলস ভিক্ষুক স্বামীর সংসার এবং তিন কন্যাকে ফেলে রেখে নিরুদ্দেশ হয়ে যায় আসমানীদের মা আছিয়া। আছিয়া বর্ডার পার হয়ে ইন্ডিয়া চলে গেছে এই সংবাদের ভিত্তিতে সেও ইন্ডিয়া যেতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে । নিখোঁজ হয় জমীর আলীও।

এরপরের কাহিনী শুরু পনের বছর পর। তিন বোন একটা সার্কাস দলে দড়ির উপর খেলা দেখায়। সার্কাস দলের মালিক হারুন সরকারের জবানিতে জানা যায় ছোট মেয়ে অর্থাৎ পয়সার বয়স যখন তিন তখন তারা এখানে এসেছে এবং সে নিজের হাতে তাদের খেলা শিখিয়েছে।

সার্কাস দলের প্রফেসর মতিন যে ঘোড়া নিয়ে খেলা দেখায় তারপর পাখি খসরু, ম্যানেজার তৈয়ব সর্বোপরি হারুন সরকার , তিন বোন এবং সার্কাসের সাথে সংশ্লিষ্ট সবার জীবনযাপনের ভালো একটা ধারণা পাওয়া যায়।

এই উপন্যাসের আরেক চরিত্র বশীর মোল্লা। ভাটি অঞ্চলের অতি ধুরন্ধর টাকার কুমির এই বশীর মোল্লা তিন বোনকে পছন্দ হয়েছে তাই পুরো সার্কাস দলই কিনে নিতে চায়। বাবার আদরে মেয়ে তিনটেকে মানুষ করা এবং সব রকম ক্লেদ থেকে বাঁচিয়ে রাখা হারুন সরকার তাদের বিপদ আঁচ করতে পেরে পুরো সার্কাস দলের মালিকানা দিয়ে যায় তিন বোনকে।

মনু নদীতে সেতু নির্মাণের জন্য আসা বিদেশি ইন্জিনিয়ার নি পোর্টার, যে বাংলা খুব ভালো বলে। সার্কাসের সুত্রে তিন বোনের সাথে পরিচয়। পয়সা একসময় তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। ভালো লাগার মানুষের সাথে সব কথা বলার অদম্য ইচ্ছা থেকেই পয়সা একসময় বলে তারা তিন বোন দড়ি খেলা দেখানোর সময়ে ঠিক দড়ির মাঝখানে দাড়িয়ে একসাথে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে “তাদের বাবা যেন ফিরে আসে”।

হারুন সরকার মারা গেছে কিন্তু রাতে শো। অনেক মন‌ খারাপ নিয়ে তিন বোন পারফর্ম করছে,নি পোর্টার ভিডিও করছে। ঠিক তার পাশে দাঁড়িয়ে এক বৃদ্ধ খেলা দেখে ভয়ে চোখ ঢেকে ফেলেছে আর তাদের নেমে আসার অনুরোধ করছে।নি পোর্টারের কৌতুহলের জবাবে বলছে এই তিনজন আমার অতি আদরের মেয়ে।

এই হলো কাহিনী। বাচ্চা ফেলে মায়ের চলে যাওয়াটা আমার কাছে একটু অস্বাভাবিক লেগেছে। বাকি চরিত্র মোটামুটি উৎরে গেছে।নি পোর্টারের সাথে পয়সার একটা শুভ পরিণয় ঘটলে মন্দ হয়না।

খুব ভালো আমি বলবো না। তবে মাঝেমধ্যে আমরা যে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ায়, ফুসকা খায় ভালো মন্দ ভুলে খানিক মনের নির্মল আনন্দের জন্য ।তেমনি করে বইটা আমি পড়েছি বলে আমার খারাপ লাগেনি। বেঁচে থাকার জন্য মনের আনন্দই সার কথা!!!!!!!

রেটিং আমি ৫ এর মধ্যে ৩ দিব।তাই বা খারাপ কি। ৬০%।মানে তো ফাস্ট ডিভিশন!!!!!

📝 সাইজঃ- 17 MB

📝 পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ 94

বই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে অনলাইন লাইভ প্রিভিউ 🕮 দেখে নিন তারপর সিদ্ধান্ত নিন ডাউনলোড করবেন কিনা।

Live Preview এখান থেকে Scroll করে দেখতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন উত্তর 

download-pdf

Direct Download 

Click Here

👀 প্রয়োজনীয় মূর্হুতে 🔍খুঁজে পেতে শেয়ার করে রাখুন.! আপনার প্রিয় মানুষটিকে “send as message”এর মাধ্যমে শেয়ার করুন। হয়তো এই গুলো তার অনেক কাজে লাগবে এবং উপকারে আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here