পুলিশের এস আই পদের লিখিত পরীক্ষার সম্পূর্ণ সমাধান পিডিএফ ডাউনলোড

0
110

পুলিশের এস আই পদের লিখিত পরীক্ষার সম্পূর্ণ সমাধান
পিডিএফ ডাউনলোড

Bangladesh Police SI (Sub Inspector) Exam Question Solution 2019:
Post: SI (Sub Inspector)-Unarmed
SI Written Examination Schedule 2019:
A) English, Bengali & Composition- 16 June 2019- 10.00 am to 1.00 pm (Marks- 100)
B) General Knowledge & Math- 17 June 2019- 10.00 am to 1.00 pm (Marks- 100)
C) Morality- 18 June 2019- 10.00 am to 10.30 am (Marks- 25)

এস আই পরীক্ষার গণিত অংশ।
১) একটি কাজ ৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে করতে পারে ৬ দিন কাজ করার পর খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৬ দিন কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে ।অবশিষ্ট কাজ নির্দিষ্ট সময় শেষ করতে অতিরিক্ত কতজন শ্রমিক নিয়োগ দিতে হবে।
২। কি) শতকরা কত মুনাফা হারে ৩০০০ টাকার ৫ বছরের মুনাফা ১৫০০ টাকা হবে।
খ) টাকায় ৫ টি দরে ক্রয় করে টাকায় ৪ টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে।
৩) একটি বইয়ের মূল্য ৮০ টাকা যা প্রকৃত মূল্যের ৭০%। বাকি টাকা সরকার ভর্তুকি দিয়ে থাকে তাহলে ভর্তুকির পরিমাণ কত?
৪) আট বছর পূর্বে পিতা পুত্রের বয়সের ৮ গুণ ছিল ১০ বছর পরে পিতা পুত্রের দুই গুণ হবে। বর্তমানে কার বয়স কত?
৫) একটি গাড়ি ৬০ কিলোমিটার বেগে কিছু পথ এবং ৪০ কিলোমিটার বেগে অবশিষ্ট পথ অতিক্রম করে মোট ৫ ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ।৬০ কিলোমিটার বেগে গাড়িটি কত কিলোমিটার গিয়েছিল?

সাধারণ জ্ঞান অংশ সমাধানঃ

১. সংক্ষেপে উত্তর দিন ( বাংলাদেশ প্রেক্ষিত)
ক. তমুদ্দিন মজলিশ কি?
উত্তরঃ তমুদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে গঠিত তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। . ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের আগষ্ট মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকার সিদ্দিক বাজারের ‘লিলি কটেজে’ সংস্কৃতিমনা অধ্যাপক, সাহিত্যসেবী ও বুদ্ধিজীবীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় প্রাথমিকভাবে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন তৈরির কথা আলোচিত হয়। এর কয়েকদিন পর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম-এর ১৯ নম্বর আজিমপুরের (ঢাকা) বাসায় অপর একটি সভা আহ্বান করা হয়। সভার আহ্বায়ক ছিলেন আবুল কাসেম। এই সভায় চূড়ান্তভাবে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সর্বসম্মতিক্রমে এই সংগঠনের নাম রাখা হয়- ‘তমদ্দুন মজলিস’। . ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়। এর সম্পাদক নির্বাচিত হন অধ্যাপক আবুল কাসেম।

খ. বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কিন্তু সেভেন সিস্টারভুক্ত নয় ভারতের রাজ্যটির নাম লিখুন।
উত্তরঃ সেভেন সিস্টার্স হচ্ছে ভারতের মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা, মনিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল। আর বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়। পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। তাই এখান থেকে বলা যায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কিন্তু সেভেন সিস্টারভুক্ত নয় ভারতের রাজ্যটির নাম পশ্চিমবঙ্গ।

গ. কত সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অবসান হয় আর রানীর শাসন শুরু হয়?
উত্তরঃ ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বাংলার নবাব কোম্পানির হাতে পরাজিত হলে কার্যত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের সূচনা ঘটে। আর ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অবসান হয়। ১৮৫৮ সালের ভারত শাসন আইন বলে ব্রিটিশ সরকার ভারতের প্রশাসনিক দায়দায়িত্ব স্বহস্তে তুলে নেয় এবং দেশে নতুন ব্রিটিশ রাজ বা রানীর শাসন প্রবর্তিত হয়।

ঘ. বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃবাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান গ্রন্থের স্বরবিতান থেকে নেওয়া হয়েছে।
আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গাঁথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান “আমি কোথায় পাব তারে” থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।
১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিল। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।

ঙ. পদ্মা সেতু কোন কোন জেলাকে সংযুক্ত করবে?
উত্তরঃ পদ্মা সেতু বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জের সাথে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে, ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে। পদ্মা সেতু তিনটি জেলাকে সংযুক্ত করবে- মুন্সীগঞ্জ (মাওয়া পয়েন্ট / উত্তর পাড়), শরীয়তপুর এবং মাদারীপুর (জঞ্জিরা / দক্ষিণ পাড়)।

চ. সাইমন ড্রিং কে?
উত্তরঃ সাইমন ড্রিং একজন আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়ী বৈদেশিক সংবাদদাতা, টেলিভিশন উপস্থাপক এবং প্রতিবেদন নির্মাতা। তিনি বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বৈদেশিক প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বের অনেক জায়গা ভ্রমণ করে তরতাজা ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পরিবেশনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। এছাড়াও তিনি লন্ডনভিত্তিক দ্য ডেইলী টেলিগ্রাফ, বিবিসি টেলিভিশন এবং রেডিও সংবাদ ও চলতি ঘটনা তুলে ধরার লক্ষ্যে অনবরত কাজ করছেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর জঘন্য ও নৃশংসতার বিবরণ দৈনিকে তুলে ধরে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ছ. হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে চীনা যে পরিব্রাজক প্রাচীনবঙ্গে এসেছিলেন তার নাম কি?
উত্তরঃ হর্ষবর্ধন বা হর্ষ (৫৯০–৬৫৭) উত্তর ভারতের এক খ্যাতনামা সম্রাট যিনি ৬০৬ থেকে ৬৪৭ খ্রিস্টাব্দ (মতান্তরে ৬৪৮ খ্রিস্টাব্দ) পর্যন্ত শাসন করেন। হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে চীনা যে পরিব্রাজক প্রাচীনবঙ্গে এসেছিলেন তার নাম হিউয়েন-সাঙ। হিউয়েন-সাঙ রচিত বিবরণীর নাম সি-ইউ-কি।

জ. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার নাম কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার নাম তেঁতুলিয়া। তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত একটি উপজেলা।

ঝ. BTRC কি নিয়ন্ত্রণ করে?
উত্তরঃ BTRC বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে। এর পুর্ণনাম বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

ঞ. DNA বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ DNA বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড একটি নিউক্লিক এসিড। যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রনের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।

২. সংক্ষেপে উত্তর দিন ( আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিত)

ক. BRICS এর পুর্ণরূপ কি?
উত্তরঃ BRICS এর পুর্ণরূপ হলো Brazil, Russia, India, China and South Africa. ব্রিক্স হলো পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা, আদ্যক্ষরের সমন্বয়ে নামকরণকৃত উদীয়মান জাতীয় অর্থনীতির একটি সঙ্ঘ।

খ. তক্ষশীলা কোন দেশে অবস্থিত?
উত্তরঃ তক্ষশীলা পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত শহর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। তক্ষশীলার অবস্থান ইসলামাবাদ রাজধানী অঞ্চল এবং পাঞ্জাবের রাওয়ালপিন্ডি থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার (২০ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে।

গ. আন্তর্জাতিক নারী দিবস কত তারিখে পালিত হয়?
উত্তরঃআন্তর্জাতিক নারী দিবস কত তারিখে পালিত হয় প্রতিবছরের ৮ মার্চ। ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হলো।

ঘ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম কি?
উত্তরঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস্। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস্ এর সদস্য ৪৩৫।

ঙ. বন্দর আব্বাস কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
উত্তরঃ বন্দর আব্বাস ইরানের সমুদ্র বন্দর। বন্দর আব্বাস ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি সমুদ্রবন্দর। এটি ইরানের হোর্মোজগন প্রদেশের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী।

বাংলা রচনা:
ক) ভেজাল খাদ্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল হলো খাদ্য। সংবিধানের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে খাদ্যকে মৌলিক উপকরণ ও ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে খাদ্যকে জীবনের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু খাদ্যে ভেজালের পরিমাণ এতটাই বেড়ে গেছে যে, তৈরি অথবা কাঁচা খাদ্য কোনোটির ওপরই মানুষ আর আস্থা রাখতে পারছে না।

খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস ও পুষ্টি সাধনের ওপর একটি দেশের সামগ্রিক টেকসই উন্নয়ন নির্ভর করে। খাদ্য নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা, নির্মল বায়ু, পরিবেশ সক্ষমতার ভিত্তিতেই একটি দেশের উন্নয়নের রোল মডেল রচিত হয়। পাশাপাশি মানসিক ও শারীরিক রোগাক্রান্ত দুর্বল, অক্ষম, অকর্মণ্য, বেকার জনসংখ্যার আধিক্ষ্য একটি দেশের জন্য আশীর্বাদের বিপরীতে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই সুস্থ সবল মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে ততই সে জাতি সমৃদ্ধ সভ্যতা ও সক্ষমতা অর্জন করতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য-পানীয় ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সুরক্ষার বিষয়গুলো অতি আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যে খাদ্য আমাদের জীবন বাঁচায় সে খাদ্য যদি কৃত্রিম উপায়ে অখাদ্যে রুপান্তরিত হয়, তাহলে সেসব খাদ্য গ্রহণের শেষ পরিণতি হলো জীবন অবসান। যে খাদ্য আমাদের ক্ষুধা নিবারণ, পুষ্টি সাধন ও বল বাড়ানোর জন্য খাই সেই খাদ্য যদি মরণের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তবেই ঘটে নানা ভোগান্তি ও বিপত্তি। খাদ্যের উদ্দেশ্যই হলো শরীরকে সুস্থ রাখা, পুষ্টিমান নিশ্চিত করা, রোগ প্রতিরোধ করা, আয়ু বৃদ্ধি করা সর্বপরি ক্ষুধা ও দারিদ্রতা দূর করা। এমন নিরাপদ খাদ্যকে মুনাফা খোরদের কারণে পরিকল্পিত ভাবে কেমিক্যাল মিশ্রিত করে অখাদ্যে পরিণত করা এখন ওপেন সিকরেট।

১৯৯৪ সালে আমেরিকার এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন এজেন্সির প্রতিবেদনে প্রকাশ, ফরমালিন ফুসফুস ও গলবিল এলাকায় ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গলবিল এলাকায় ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য ফরমালিনকে দায়ী করে। টেক্সটাইল কালারগুলো খাদ্য ও পানীয়ের সঙ্গে মিশে শরীরে প্রবেশের পর এমন কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নেই যার ক্ষতি করে না। তবে সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান ক্ষতিগুলো হয় আমাদের লিভার, কিডনি, হৃৎপি- ও অস্থিমজ্জার। ধীরে ধীরে এগুলো নষ্ট হয়ে যায়। বাচ্চা ও বৃদ্ধদের বেলায় নষ্ট হয় তাড়াতাড়ি, তরুণদের কিছুটা দেরিতে।
খাদ্যপণ্য ভেজালের কারণেই দেশে বিভিন্ন রকমের ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, কিডনি ফেলিউর, হৃদযন্ত্রের অসুখ, হাঁপানি এগুলো অনেক বেড়ে যাচ্ছে। আর আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে রোগীদের লম্বা লাইন।

কেমিক্যাল মিশ্রিত বা ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে যে উপসর্গগুলো দেখা যায় সেগুলো হলো- পেটব্যথাসহ বমি হওয়া, মাথাঘোরা, মল পাতলা বা হজম বিঘ্নিত মল, শরীরে ঘাম বেশি হওয়া এবং দুর্বল হয়ে যাওয়া, পালস্ রেট কমে বা বেড়ে যেতে পারে।

তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার ও ফলমূল আকর্ষণীয় করে ও দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করার জন্য ক্ষতিকর কার্বাইড, ইন্ডাসট্রিয়াল রঙ, ফরমালিন, প্যারাথিয়ন ব্যবহার করা হয়। এগুলো গ্রহণের ফলে কিডনি, লিভার ফাংশন, অ্যাজমাসহ বিভিন্ন প্রকার জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভেজাল খাবারের কারণে যে রোগগুলো দ্বারা মানুষ বেশি আক্রান্ত হয় তাহলো অ্যালার্জি, অ্যাজমা, চর্মরোগ, বমি, মাথাব্যথা, খাদ্য বিষক্রিয়া, অরুচি, উচ্চরক্তচাপ, ব্রেন স্ট্রোক, কিডনি ফেলিউর, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতি।

শুধু ব্যবসায়িক ফায়দা লুটতেই ইউরিয়া, ফরমালিনসহ নানা কেমিক্যাল মিশিয়ে মাছকে বিপজ্জনক বিষে পরিণত করা হচ্ছে। হাট বাজার ঘুরে কেমিক্যালমুক্ত মাছ মেলে না কোথাও। এর মধ্যেই ক্ষতিকর পিরহানা মাছ, রাক্ষুসে মাগুর, জীবনহানিকর পটকা মাছের দেদার বাজারজাত চলছে।

রাজধানীতে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে শত শত বেকারি কারখানা। কালি-ঝুলি মাখা প্রতিটি কারখানার ভেতরে-বাইরে কাদাপানি, তরল ময়লা-আবর্জনাযুক্ত নোংরা পরিবেশ। দুর্গন্ধের ছড়াছড়ি। আশপাশেই নর্দমা ময়লার স্তূপ। মশা-মাছির ভনভন আর একাধিক কাঁচা-পাকা টয়লেটের অবস্থান। কারখানাগুলো স্থাপিত হয়েছে টিনশেড বিল্ডিংয়ে। বহু পুরনো চালার টিনগুলো স্থানে স্থানে ছিদ্র থাকায় বৃষ্টির পানি অনায়াসেই কারখানা ঘরে ঢুকে।

বাজারের কলা, আম, পেঁপে, পেয়ারা থেকে শুরু করে আপেল, আঙুর, নাশপাতিসহ দেশি-বিদেশি প্রায় সব ফলেই মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত কেমিক্যাল। সাধারণ ফল-মূলের উজ্জ্বল রঙ ক্রেতাদের নজর কাড়ে, সেগুলো বিক্রিও হয় বেশি দামে। তাই অপরিপক্ব ফল পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড এবং তা উজ্জ্বল বর্ণে রূপান্তর করার জন্য অধিক ক্ষার জাতীয় টেক্সটাইল রঙ ব্যবহার হচ্ছে অবাধে। ফল গাছে থাকা পর্যায় থেকে বাজারে বিক্রি করা মুহূর্ত পর্যন্ত এক একটি ফলে ছয় দফা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়।

ইদানিং পত্র পত্রিকা বা মিডিয়াতে খাদ্যে ও ওষুধপত্রে ভেজালের লোমহর্ষক আতঙ্কিত খবরাখবর আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। এমতাবস্থায় প্রশ্ন জাগে আমি আপনি যা খাচ্ছি তা কি নিরাপদ না অনিষ্ঠকর।

নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য নেটওয়ার্ক (BFSN) ২০১০ সালে গঠিত হয়। শুরুতে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সহায়তায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আলোচনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার ও নেদারল্যান্ড সরকারের আর্থিক সহায়তায় এই নেটওয়ার্ক গঠিত হয়। এর সাথে যুক্ত আছে দেশের পরিবেশ, খাদ্য ও স্বাস্থ্য বিষয়ক অধিদপ্তর।

মূলত খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার নানা দিক এখনও অনেকের অজানা। এসব বিষয়ে গণসচেতনতা ও সাবধানতা অতীব জরুরি বিষয়। রোগ হওয়ার আগে রোগ প্রতিরোধ করার বিষয়ে আমাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সাবধানতা অতীব জরুরি। এক্ষেত্রে সমাজের কিয়দংশ মানুষ সচেতন হলে হবেনা, এতে করে কোনভাবেই সচেতন মানুষগুলোও স্বাস্থ্য নিরাপদে থাকতে পারে না, এজন্য সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গণসচেতনতার সমন্বিত উদ্যোগ অতীব জরুরি। বিশেষ করে বৃক্ষরোপন, জীব ও বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পুকুর ও নদ-নদী রক্ষার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তির যাবতীয় পরিবেশ রক্ষায় সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা দরকার।

প্রাণীজগতে নিরাপদ পুষ্টিমান সম্পন্ন খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণে একটি দক্ষ ও কার্যকর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করে খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, আমদানি-রপ্তানি, মজুদ, সরবরাহ ও বিপণন বিষয়ে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ সালে প্রণীত আইনের যথার্থ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা হলে সুস্থ সবল সমৃদ্ধ জাতি গঠনের সফলতা ও চেতনার মাত্রা অসাধারণভাবে সফল হতে পারে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে রাষ্ট্রের কর্ণধারদের এগিয়ে আসার বিকল্প নেই বলে অভিজ্ঞ মহল ও ভুক্তভোগী মহলের ধারণা।

খ) জঙ্গিবাদ
ভাব সম্প্রসারণ:
প্রাণ থাকলে প্রাণী হয় কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হওয়া যায় না।

পৃথিবীর সকল প্রাণীকে সৃষ্টি করেছেন মহান সৃষ্টিকর্তা। তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ বা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে। এই শ্রেষ্ঠত্বের কারণ মানুষের প্রাণ ছাড়াও রয়েছে মন ও বুদ্ধিমত্তা। গাছপালা, পশুপাখি ও অন্যান্য প্রাণীর শুধু প্রাণ আছে। তারা খাদ্য সংগ্রহ করে, বেড়ে উঠে, পূর্ণতা লাভ করে ও বংশবিস্তার করে। এতে তাদের কোনো কৃতিত্ব নেই। অনেক প্রাণী যথেষ্ট বুদ্ধিসম্পন্ন হলেও তাদের মন নেই। তারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য করতে পারে না। কিন্তু মানুষ পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে পশুপাখির মতো জীবনধারণ করলে প্রকৃত মানুষ হতে পারে না। মানব মনের বিকাশের মাধ্যমে মনুষ্যত্ব নামক মহৎ গুণাবলি অর্জন করতে হয়। মন ও হৃদয় আছে বলেই মানুষ বিবেকবোধের অধিকারী হয়। ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়ের বিচার করতে পারে। মনের সৎ চিন্তা, আবেগ ও প্রেম জীবনকে পূর্ণতা দেয়। মনের শক্তির জোরেই মানুষ বিজ্ঞান, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছে। জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে উড়িয়েছে বিজয় পতাকা। মননশক্তি ও মনুষ্যত্ব অর্জনের মাধ্যমেই মানুষ সকল প্রাণীর উপর স্থান পেয়েছে। এই মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হলে মনকে নির্লোভ, সংযমী, অহিংস ও মঙ্গলকামী করে তুলতে হয়। এজন্য মানুষকে অনেক প্রচেষ্টা, জ্ঞানসাধনা ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। মানবিক গুণাবলি মানুষকে পশুত্ব থেকে মুক্তি দেয়। একজন সত্যিকারের মানুষ অসহায়কে সাহায্য করে, সহানুভূতি দেখায়। দেশ, জাতি ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে। সততা, সত্যবাদিতা, ন্যায়নিষ্ঠা ও বিবেকবোধ প্রভৃতি সদগুণ মানুষকে সম্মানিত করে। এসব গুণাবলি অর্জন ছাড়া মানুষ প্রকৃত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে না।

মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা হলো মনুষ্যত্ব অর্জনের সাধনা, এর মাধ্যমে প্রকৃত মানুষ হওয়া সম্ভব। মানুষকে প্রাণিকুলের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে হলে তার চিন্তাচেতনা, মানবিক গুণাবলি, মহৎকর্ম প্রভৃতির উৎকর্ষ সাধন করতে হবে।

এক কথায় প্রকাশঃ
ক. পংক্তিতে বসার অনুপযুক্ত-অপাংক্তেয়
খ. অতি শীতও নয় উষ্ণ ও নয়– নাতিশীতোষ্ণ
গ. তুলার তৈরি- তুলোট
ঘ. অন্তিমকাল উপস্থিত যার-অন্তিমশয্যা
ঙ. প্রতিকার করার ইচ্ছা- প্রতিচিকীর্ষা

English Letter:
Write a letter to your younger brother about Importance of learning English.
Your letter is just to hand. In it you have written that you are not interested in learning English. It’s very disappointing. Today I tell you about the importance of learning English.
You know that English is an international language. It is the most common medium of co-operation and communication among the nations of the world. If we wish to communicate with the people of other countries, we must know English. All international seminars and discussions are held in English. To be a doctor, a good teacher, a good tourist one must have a good knowledge in English. It is also necessary for higher education and for a good job. I hope now you can realize the importance of learning English and read it well.

No more today. More when we shall meet. Take care and you take my love.
Yours ever
Abd Mamin

English Composition:
1. Environmental Pollution: Causes and Remedies
Environmental pollution is one of the most serious problems facing humanity and other life forms on our planet today. Environmental pollution is defined as “the contamination of the physical and biological components of the earth/atmosphere system to such an extent that normal environmental processes are adversely affected.” Pollutants can be naturally occurring substances or energies, but they are considered contaminants when in excess of natural levels. Any use of natural resources at a rate higher than nature’s capacity to restore itself can result in pollution of air, water, and land.

Pollution has become the first enemy of the mankind. Industrial revolution of 19th century led to environmental disaster. The whole world is now more afraid of pollution rather than nuclear blast. Technological advancement has brought revolutionary changes in life style and national economy with overwhelming power over nature. The protection of environment has become a major issue around the global for the well being of the people and economic development.

The present environmental condition of Bangladesh is not at all equilibrium. Severe air, water and noise pollution are threatening human health, ecosystems and economic growth of Bangladesh. Air pollution caused due to increasing population, burning fossil fuels, industrialization and associated motorization. The water pollution caused due to industrialization. The under ground water of Bangladesh has been polluted due to arsenic. The inhabitants of major cities of Bangladesh are also exposed to high level of noise pollution. Environmental degradation of Bangladesh is also caused due to poverty, over-population and lack of awareness on the subject. It is manifested by deforestation, destruction of wetlands, soil erosion and natural calamities. Few steps have been taken by the government to improve the environmental degradation and pollution control. This paper analyzes the different types of environmental pollution and associated health hazard in Bangladesh. It also discusses the different governmental steps as well as some suggested steps to improve the pollution control.

Air pollution is a serious environmental health hazard affecting the populations of Bangladesh. Air pollution of Bangladesh is caused due to increasing population and associated motorization. Indoor air pollution is mainly associated with the use of biomass fuels during cooking with poor ventilation. Industrial emissions and automobiles are the principle sources of outdoor air pollution.

One of the major sources of air pollution in urban areas of Bangladesh is due to the unburned fuel from two stroke engine vehicles. Dhaka has been rated as one of the most polluted cities of the world. Bangladesh Atomic Energy Commission reports that automobiles in Dhaka emit 100 kg lead, 3.5 tons SPM, 1.5 tons SO2, 14 tons HC and 60 tons CO in every day.

Water pollution creates serious health hazard for Bangladesh. The dumping of municipal wastes, hospital wastes and toxic environmental discharges from mostly industries pollute both surface and ground water sources. The most dangerous threat emanating from environmental degradation is the arsenic contamination of ground water.

The main industrial areas of Bangladesh are at Dhaka, Chittagong, Khulna, and Bogra districts. The mostly contributing industries for water pollution are pulp and paper, pharmaceuticals, metal processing, food industry, fertilizer, pesticides, dyeing and painting, textile, tannery etc. More than 200 rivers of Bangladesh directly or indirectly receive a large quantity of untreated industrial wastes and effluent. Everyday approximately 700 tanneries of Dhaka city are discharging about 16,000 cubic meters of toxic wastes. The Department of Environment (DOE) has listed 1,176 factories that cause pollution throughout the country.

The indiscriminate discharge of solid waste, domestic and hospital sewage are the major source of water pollution in Bangladesh. About 4,000 to 4,500 tons of solid wastes are generated daily and only half of the generated wastes are disposed of in low lying areas or into river water. These solid wastes are associated with the problems of littering on roads, spilling around the bins, clogging of drains, indiscriminate dumping on vacant plots and cause serious environmental pollution. More than 500 hospitals and clinics of Dhaka city

Arsenic in ground water poses a serious environmental hazard for Bangladesh. About ninety-seven percentages (97%) of Bangladesh people have been using ground water as the main source of drinking water but the water has been threatened by arsenic contamination.

The noise pollution is also a major health hazard in Bangladesh. According to World Health Organization (WHO), 60 decibel (DB) sound can make a man deaf temporarily and 100 DB sound can cause complete deafness. According to the Department of Environment (DOE), the perfect sound condition for Bangladesh is 45 dB for the daytime and 35 dB for the night in peaceful areas and 50 dB for the daytime and 40 dB for the night in residential areas. The main sources of noise pollution are industries, motorized vehicles, construction works and indiscriminate use of loudspeaker.

Prevention of pollution:
1. The government has taken some steps to improve the pollution control of Bangladesh. But the steps are not adequate. As such, few more steps may also be taken to improve the environmental degradation:
2. Use of Environmental Technologies and Methods.
Environmental technologies and methods such as Geographic Information Systems (GIS), remote sensing and environmental impact assessment might be used for integrated policy formulation, decision-making, evaluation and monitoring of environment.
3. Development of Environmental Database.
A comprehensive environmental database may be made and the environmental planners might have the access for environmental up-gradation, planning and management The database is to be updated regularly.
4. Environmental Education and Awareness.
Formal and informal methods of education might be adopted through local media, seminars, celebrations, workshops, walks and student competitions to aware the people regarding the process of environmental degradation.
5. Industrial and Solid Waste Management.
The government might take appropriate measures to monitor emission limits and Market Based Incentives (MBI) for reducing pollution control. The industries might be given both technical and financial support for introducing mitigation measures, promoting green technologies, using less pollution technologies and recycling the waste.
6. Enforcement of Rules and Regulation.
Environmental Conservation Rules of 1997, traffic rules and other relevant environmental laws might be enforced further to punish the violation of the emission limits.
7. Urban Transport Management.
Government must strengthen vehicle emission standards, complete the emission inventory and conduct an investigation on the emission control measures. Auto-rickshaw must be restricted in Dhaka city. Government must replace old vehicles, two-stroke engine vehicles, improve traffic conditions and promote an equivalent and efficient alternative public transportation services to improve urban transport management.
8 Reduce Sulfur in Diesel.
Government must take necessary steps to remove sulfur content from diesel through hydro-desulphurization (HDS) process. The government must also enforce the vehicle manufacturers to install catalytic converters in every vehicle to reduce the vehicular emissions.
Environmental issues have become a major concerns due to impact on public health and development of Bangladesh. Air and water pollution, groundwater contamination, nuisance from solid wastes and noise pollution are the main environmental pollution’s of Bangladesh. Dhaka City is one of the most polluted cities in the world. Environmental problems occur mainly due to population growth, urbanization, industrialization, rapid rise in transportation, inadequate and improper traffic management, poor sanitation systems and inefficient solid waste management.

2. Women and Children Trafficking
Fill in the blanks:
a. Would you mind……….
d. He is…….. Smart and educated
e. Fish abounds…….this lake. Ans: in
Write the meaning of the Phrase:
Get rid of- to remove something that you do not want any longer: (I can’t wait to get rid of that ugly old couch)
At stake- At risk. (People’s lives could be at stake)
In nut a shall- in short ( In a nutshell, Tamim is a horrible Cricket)

আরো পড়ুনঃ- বাংলাদেশ পুলিশ এস আই পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান পিডিএফ ডাউনলোড

download-pdf

Download From Google Drive

Download

Download From Yandex

Download

👀 প্রয়োজনীয় মূর্হুতে 🔍খুঁজে পেতে শেয়ার করে রাখুন.! আপনার প্রিয় মানুষটিকে “send as message”এর মাধ্যমে শেয়ার করুন। হয়তো এই গুলো তার অনেক কাজে লাগবে এবং উপকারে আসবে।