PDF ডাউনলোডবাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

বাংলা প্রবাদ সমগ্র – প্রবাদ-প্রবচন পিডিএফ ডাউলোড

বাংলা প্রবাদ সমগ্র – প্রবাদ-প্রবচন

পিডিএফ ডাউলোড

  • অই ছেরা তোর ডাটেঁর কথা- তোর মায় ফিনছে খাইল্যা পাতা।
  • অকাজে বউড়ী দড়,লাউ কুটতে খরতর।
  • অকাল গেল সুকাল এল, পাকল কাঁটাল কোষ, আজ বন্ধু ছেড়ে যাও, দিয়ে আমার দোষ।
  • অকালে খেয়েছ কচু,মনে রেখ কিছু কিছু।
  • অকালে না নোয় বাঁশ,বাঁশ করে ট্যাঁশ ট্যাঁশ।
  • অকালে(আকালে) কি না খায়।
  • অকালের তাল বড় মিষ্টি। সন
  • অকেজো নাপিতের বোঝা ভরা খুর।
  • অকেজো বউ লাউ কুটতে দড়।
  • অকেজোর তিন কাজ বড়,ভোজন ক্রোধ নিদ্রা দড়।
  • অগ্নি ব্যাধি ঋণ,তিনের রেখো না চিন(চিহ্ন)।
  • অঘটির(আদেখলের) ঘটি হল,জল খেতে খেতে প্রাণটা গেল।
  • অঙ্গারঃ শতধৌতেন মলিনত্বং ন মুঞ্চতি।
  • অজগরের দাতা রাম(অজগর আহার সংগ্রহে অলস)।
  • অজ্ঞানে করে পাপ,জ্ঞান হলে সরে, সজ্ঞানে করে পাপ,সঙ্গে সঙ্গে ফেরে।
  • অজাযুদ্ধে ঋষিশ্রাদ্ধে প্রভাতে মেঘডম্বরে দম্পত্যোঃ কলহে চৈব বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া।
  • অজার যুদ্ধে আঁটুনি সার।
  • অজীর্ণে ভোজনং বিষম্।
  • অতি আশ সর্বনাশ।
  • অতি চালাকের গলায় দড়ি অতি বোকার পায়ে বেড়ি।
  • অতি প্রণয় যেখানে, নিত্য যাবে না সেখানে;যদি যাবে নিত্যি;ঘটবে একটা কীর্তি।
  • অতি বড় ঘরণী না পায় ঘর; অতি বড় সুন্দরী না পায় বর।
  • অতি বড় সোদর, তিন দিন করবে আদর।
  • অতি বুদ্ধির গলায়(বা হাতে)দড়ি,অতি বোকার পায়ে বেড়ি।
  • অতি বুদ্ধির হা-ভাত। অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ।
  • অতি বাড় বেড়ো নাকো ঝড়ে ভেঙে যাবে;অতি ছোট হয়ো নাকো ছাগলে মুড়াবে।
  • অতি মন্থনে বিষ ওঠে।
  • অতি মেঘে অনাবৃষ্টি।
  • অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
  • অতিদর্পে হতা লঙ্কা। অতিদানে বলির পাতালে হইল ঠাঁই।
  • অদন্তের দাঁত হল, কামড় খেতে প্রাণটা গেল।
  • অদন্তের হাসি, দেখতে(বড়) ভালবাসি।
  • অদৃষ্টে করলা ভাতে, বীচি কচ কচ করে তাতে,পড়ল বীচি বুড়োর পাতে। অদৃষ্টের (কপালের) কিল পুতেও(পুত–ছেলে) কিলোয়।
  • অদৃষ্টের ফল, কে খণ্ডাবে বল?
  • অধিক (অনেক)সন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
  • অধিক খেতে করে আশা,তার নাম বুদ্ধি নাশা।
  • অধিকং তু ন দোষায়।
  • অনটনের দুনো ব্যয়।
  • অন্তরে এত খলতা, মুখে তোর অতি শীলতা, অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ।__দাশু রায়।
  • অন্ধ জাগো, না, কিবা রাত্রি কিবা দিন।
  • অন্ধকারে ঢেলা মারা বা ঢিল ছোঁড়া।
  • অন্ধকারে লাউ কোটা।
  • অন্ধের কিবা রাত কিবা দিন।
  • অন্ধের নড়ি, কৃপণের কড়ি।
  • অন্ন দেখে দেবে ঘি, পাত্র দেখে দেবে ঝি।
  • অন্ন নাই যার ঘরে,তার মানে কি বা করে।
  • অন্ন বল নেই,অগ্নিবল আছে।
  • অন্ন বিনা চর্ম দড়ি,তৈল বিনা গায়ে খড়ি।
  • অন্নচিন্তা চমৎকারা কাতরে কবিতা কুতঃ।
  • অন্নচিন্তা চমৎকারা কালিদাস হয় বুদ্ধিহারা।
  • অন্নচিন্তা চমৎকারা, ঘরে ভাত নাই জীয়ন্তে মরা।
  • অন্নের জ্বালা বড় জ্বালা এক দিনে লাগে তালা।
  • অনভ্যাসের ফোঁটা কপালে চড়চড় করে।
  • অনাথের দৈব সখা।
  • অনাবৃষ্টে রাজ্য মজে,পাপে মজে ধর্ম;কোটালে গৃহস্থ মজে,আলস্যে মজে কর্ম। অনেক কালের ছি পাপ,ছেলে হল সতীনের বাপ।
  • অনাহ্বানের নিমন্ত্রণ, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।
  • অনেক খাবে তো অল্প খাও,অল্পখাবে তো অনেক খাও।
  • অনেক গর্জনে ফোঁটা বৃষ্টি।
  • অনেক সন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
  • অনেক হল পাপ, এবার ছাড়ো বাপ।
  • অনেক(অগাধ) জলের মাছ।
  • অপব্যয়ে লক্ষ্মী ছাড়ে।
  • অবংশো পতিতো রাজা মূর্খ পুত্রশ্চ পণ্ডিতঃ, অধনশ্চ ধনং প্রাপ্য তৃণবন্মন্যতে জগৎ।
  • অবুঝে বুঝাব কত,বুঝ নাহি মানে;ঢেঁকিরে বুঝাব কত,নিত্য ধান ভানে। অবোধারে মারে বোধায়,বোধারে মারে খোদায়।
  • অব্রাহ্মণের দীর্ঘ ফোঁটা।
  • অবলার মুখে বল।
  • অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা।
  • অবাক্ ক‘ল্লে নাকের নথে,কাজ কি আমার কানবালাতে।
  • অবাক কল্লি ভবি(রাধা),অম্বলে দিলি আদা।
  • অবাক্ কলির অবতার,ছুঁচোর গলায় চন্ত্রহার।
  • অবোধের(পাগলের) গোবধে আনন্দ[গো বধ মহাপাপ]।
  • অবোলা বলে দড়, অফলা ফলে দড়।
  • অভদ্রা বরষা কাল,হরিণী চাটে বাঘের গাল।
  • অভ্যাস দোষ না ছাড়ে চোরে, শূন্য ভিটায় মাটি খোঁড়ে।
  • অভ্যাসে সয়, অনভ্যাসে নয়।
  • অভাগা চোর যে বাড়ি যায়, হয় কুকুর ডাকে নয় রাত পোহায়।
  • অভাগা যদ্যপি(যেদিকে) চায়, সাগর শুকায়ে যায়।
  • অভাগার ঘোড়া মরে, ভাগ্যবানের বউ মরে।
  • অভাগার নাই যম, বা অভাগার যমও নাই।
  • অভাগিনীর দুটো(দুই)পুত, একটা দানা একটা ভূত।
  • অভাবে স্বভাব নষ্ট।
  • অভাবে স্বভাব নষ্ট মুখ নষ্ট বরণে(ব্রণে),ঝরায় ক্ষেত নষ্ট স্ত্রী নষ্ট মারণে(মারধর) করলে।
  • অমাবস্যার প্রদীপ টিপ টিপ করে।
  • অমুকের পোলায় এস পি হইছে- তয় পাওয়ার কম।
  • অমৃত-বা কি পদার্থ, খেয়ে দেখি জল।
  • অমৃতং বালভাষিতম্।
  • অর্থই অনর্থের মূলে।
  • অরসিকেষু রসস্য নিবেদনম্।
  • অরাধুনীর হাতে পড়ে রুই মাছ কাঁদে, না জানি রাধুনী মোর কেমন করে রাঁধে। অরুচির অম্বল শীতের কম্বল বর্ষার ছাতি ভট্‌চায্যির পাঁতি(পুথি)।
  • অলক্ষীর নিদ্রা বেশি, কাঙালের ক্ষুধা বেশি।
  • অলকা তিলকা(=অঙ্গরাগ) সার। অলক্ষীর দ্বিগুণ ক্ষিদে।
  • অল্প জলের পুঁটি মাছ ফর ফর করে।
  • অল্প বৃষ্টিতে কাদা হয়,বেশি বৃষ্টিতে সাদা হয়।
  • অল্প শোকে কাতর,অধিক শোকে পাথর।
  • অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী।
  • অলাভের বাণিজ্যে কচকচি সার।
  • অশথের ছায়াই ছায়া,মায়ের মায়াই মায়া।
  • অশ্বত্থামা হত ইতি গজ।
  • অস্থানে তুলসী,অপাত্রে রূপসী।
  • অসারে জল সার।
  • অসারের তর্জনগর্জন সার।
  • অহংকারে গদগদ ভূমিতে না পড়ে পদ।
  • আ-লো সোনাভানের মা- কথার পুটুলি জান, কাম জাননা।
  • আউলে বাঘ জালে পড়ে (আউলে=অস্থির)।
  • আকাইম্যা মাইনষ্যের কথা বেশি।
  • আকালে কিনা খায়;পাগলে কিনা কয়।
  • আকামের মাঝু, কদু কুটনের যম।
  • আকাঙ্ক্ষার সীমা নাই।
  • আকাশ পাতাল তফাত।
  • আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া।
  • আকাশে থুতু ফেললে নিজের গায়ে পড়ে।
  • আকাশে ফাঁদ পেতে চাঁদ ধরা।
  • আগ নাংলা (নাঙ্গলে) যেদিকে যায়,পাছ নাংলা (নাঙ্গলে) সেদিকে ধায়।
  • আগুন চাপা থাকবার নয়।
  • আগুন নিয়ে খেলা।
  • আগুন পোহাতে গেলে ধোঁয়া সইতে হয়।
  • আগুনের কাছে ঘি। আগু লাথ,পিছু বাত।
  • আগাছার বড় বাড়।
  • আগাছে ফল বেশি।
  • আগে আপন সামাল কর,শেষে পরকে গিয়ে ধর।
  • আগে গেলে বাঘে খায়।
  • আগে গেলে বাঘে খায়, পাছে গেলে সোনা পায়।
  • আগে গেলেও নির্বংশের ব্যাটা,পিছে গেলেও নির্বংশের ব্যাটা।
  • আগে তিতা, শেষে মিঠা।
  • আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারি।
  • আগে দুঃখ পরে সুখ।
  • আগে দর্শনধারী পিছে গুণ বিচারি।
  • আগে দেও কড়ি পিছে দিব বড়ি।
  • আগে দেখ, পরে লও, শেষে দাও কড়ি।
  • আগে না বুঝিলে বাছা যৌবনের ভরে,পশ্চাতে কাঁদিতে হবে নয়নের ঝোরে।
  • আগে ভাল ছিল জেলে জালদড়া বুনে, কি কাজ করিল জেলে এঁড়ে গরু কিনে।
  • আচরো বিনয়ো বিদ্যা প্রতিষ্ঠা তীর্থদর্শনম্; নিষ্ঠা বৃত্তিস্তপো দানং নবধা কুললক্ষণম্। সদাচার, বিনয়, বিদ্যা, খ্যাতি, তীর্থদর্শন, শাস্ত্রানুমোদিত ধর্মে আসক্তি, ব্রাহ্মণোচিত বৃত্তি(অর্থাৎ বেদাধ্যয়ন প্রভৃতি), তপস্যা এবং দান__ এই নয়টি কুলীনের লক্ষণ।
  • আচারে বাড়া, বিচারে এড়া।
  • আছাড় খালি ক্যা?- রাস্তা আগাইলাম।
  • আজ আমীর, কাল ফকির।
  • আজ মরলে কাল দু‘দিন হবে।
  • আঁটুনি কসুনি সার।
  • আঁটাআঁটি হইলেই লাঠালাঠি।
  • আটে-পিটে দড়, তবে ঘোড়ার উপর চড়।
  • আড়াই আঙ্গুল দড়ি,সৃষ্টি জুড়ে বেড়ি।
  • আড়াই কড়ার কাসুন্দি, হাজার কাকের গোল।
  • আঁত পাওয়া ভার।
  • আত্ম রেখে ধর্ম,তবে পিতৃ কর্ম।
  • আত্মবন্মন্যতে জগৎ।
  • আত্মানং সতত রক্ষেৎ[আপদার্থে ধনং রক্ষেৎ দারান্ রক্ষেদ্ধনৈরপি;আত্মানং সতত রক্ষেৎ দারৈরপি ধনৈরপি]। আতুরে নিয়মো নাস্তি।
  • আতি চোর,পাতি চোর,হ‘তে হ‘তে সিঁদেল চোর।
  • আদ্যিকাণ্ডের কথা, বললে পাবে ব্যথা।
  • আদ্যিকালের বদ্যি বুড়ো।
  • আদরে ভোজন কি করে ব্যঞ্জন।
  • নুন আনতে পান্তা ফুরায়।
  • আদা শুকালেও ঝাল যায় না।
  • আদা, ওষুধের আধা।
  • আদা জল খেয়ে লাগা।
  • আদার ব্যাপারি জাহাজের খবর ।
  • আদাড় গাঁয়ে শিয়াল রাজা।
  • আদায় কাঁচকলায় সম্বন্ধ।
  • আদার ব্যাপারি, জাহাজের খবরে কাজ কি।
  • আদি কহিলে মানুষ রুষ্ট।
  • আন্ কাপাস নে তুলো।
  • আন্ শুনতে কান।
  • আন সতীনে নাড়ে চাড়ে,বোন সতীনে পুড়িয়ে মারে।
  • আনারস বলে কাঁঠাল ভাই তুমি বড় খসখসে।
  • আপ ভালা তো জগৎ ভালা।
  • আপ রুচি খানা, পর রুচি পরনা।
  • আপন কোটে পাই চিঁড়ে কুটে খাই।
  • আপন কোলে ঝোল সবাই টানে।
  • আপন গাঁয়ে কুকুর রাজা
  • আপন গাঁয়ে শিয়াল রাজা।
  • আপন ঘরে সবাই রাজা।
  • আপন চরকায় তেল দাও।
  • আপন চেয়ে পর ভাল,পর চেয়ে জঙ্গল ভাল।
  • আপন ছিদ্র জানে না, পরের ছিদ্র খোঁজে।
  • আপন পাঁজি পরকে দিয়ে, দৈবজ্ঞ বেড়ায় পথে পথে।
  • আপন পাঁঠা লেজে কাটি।
  • আপন বুদ্ধি ছিল ভাল,পর বুদ্ধিতে পাগল হল।
  • আপন বুদ্ধিতে তর, পরের বুদ্ধিতে মর।
  • আপন বুদ্ধিতে ফকির হই, পর বুদ্ধিতে বাদশা নই।
  • আপন বুদ্ধিতে ভাত, পরের বুদ্ধিতে হাভাত।
  • আপন বেলা চাপন চোপন,পরের বেলা ঝুরঝুরে মাপন।
  • আপন বোন ভাত পায় না,শালীর তরে মণ্ডা।
  • আপন ভালাতো জগত ভালা ।
  • আপন ভালো পাগলেও বোঝে।
  • আপন হাত জগন্নাথ, পরের হাত এঁটো পাত।
  • আপন(আপনার) ঘোল কেউ টক বলে না।
  • আপন(আপনার) মান আপনি রাখ,কাটা কান চুল দিয়ে ঢাক।
  • আপন(আপনারা/নিজের) নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ।
  • আপন(নিজের) বেলায় আঁটিসাটি পরের বেলায় দাঁত কপাটি।
  • অপনা মাংসেঁ হরিণা বৈরি।
  • আপনা মাংসে হরিনা বৈরি। – হরিনের শত্রু তার মাংশ।
  • আপনার আপনি,ডোর আর কপনি।
  • আপনার কিছু নয়, জগৎ কেবল মায়াময়।
  • আপনার চেয়ে পর ভাল, পরের চেয়ে জংগল ভাল ।
  • আপনার ছেলটি খায় এতটি, বেড়ায় যেন লাটিমটি, পরের ছেলেটা খায় এতটা,বেড়ায় যেন বাঁদরটা।
  • আপনার ধন পরকে দিয়ে,দৈবকী মরে মাথায় হাত দিয়ে[দৈবকী=শ্রীকৃষ্ণের জননী]।
  • আপনার নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করা।
  • আপনার পায়ে আপনি কুড়ুল মারা।
  • আপনার বেলায় ছ‘ কড়ায় গণ্ডা,পরের বেলায় তিন গণ্ডা। আপনার মতো জগৎ দেখা।
  • আপনার(নিজের) পায়ে কুড়ুল মারা।
  • আপনারটা ষোল আনা,পরেরটা কিছু না।
  • আপনি খেতে ভাত পায় না শংকরারে ডাক।
  • আপনি গেলে ঘোল পায় না, চাকরকে পাঠায় দুধের তরে।
  • আপনি ঠাকুর ভাত পায় না,শংকরাকে ডাকে।
  • আপনি পায় না, পরকে বিলায়।
  • আপনি বড় ভাল, তাই লোককে বলে কালো।
  • আপনি বাঁচলে বাপের নাম।
  • আপনি শুতে জায়গা পায় না, শংকরাকে ডাক।
  • আবর তাঁতি গোবর খায়,স্ত্রীর বাক্যে মরতে যায়।
  • আম না থাকলে আমড়া চোষে।
  • আম না পেয়ে আঁটি চোষা।
  • আম না হতে আমসত্ত্ব।
  • আম শুকোলে আমসি,বয়স গেলে কাঁদতে বসি।
  • আমড়া কাঠের ঢেকি।
  • আমড়াতলায় আম পেলে, আমতলায় কেবা যায়।
  • আমার আমার যত কর,চিনির বলদ হয়ে মর।
  • আমার কথা শোন্, ঘরদোর ভেঙে ফেলে নটে শাক বোন।
  • আমার নাম নিতাই, এক খাই এক থিতাই।
  • আমি কই কি! আমার সারেন্দা বাজায় কি!
  • আমি করি ভাই ভাই, দাদার কিন্তু মনে নাই।
  • আমি কি নাচতে জানি নে, মাজার ব্যথায় পারিনে।
  • আমি ছাড়তে চাইলে কি হইব- কম্বল তো আমারে ছাড়ে না।
  • আমিও ফকির হলেম, দেশেও আকাল এল।
  • আমিও রারি(বিধবা) হইলাম- রঙ বিরঙ্গের শাড়িও বাইর হইল।
  • আমে দুধে এক হয়,আদাড়ের আঁটি আদাড়ে যায়।
  • আমে বান,তেঁতুলে ধান।
  • আয় বুঝে ব্যয়।
  • আর কি নেড়া বেলতলা যায়?
  • আর গাব খাব না, গাবতলা দিয়ে যাব না,গাব খাব না– খাব কি গাবের তুল্য আছে কি?
  • আরগুণ নেই ছাড়গুণ আছে।
  • আর রাজ্যে বামুন নেই,কাশী ঠাকুর চিঁড়ে খাও।
  • আরশোলা আবার পাখি।
  • আরশোলাও পাখি, আছে আর কি দেখতে বাকি।
  • আলস্য হেন ধন থাকতে দুঃখের অভাব কি?
  • আশা আর ফুঁ আছে, দুধ আর বাটি নেই।
  • আশা আর বাসা ছোট করতে নেই।
  • আশা আর বাসা ছোট করে মরে চাষা।
  • আশা আশা পরম দুখ,নিরাশাই পরম সুখ।
  • আশা বৈতরণী নদী।
  • আশায় আমার পড়ল ছাই,এখন বল কোথায় যাই?
  • আশায় খেলিছে পাশা।
  • আশায় বাঁচে চাষা।
  • আশায় মরে চাষা।
  • আশার চেয়ে নিরাশা ভাল, হয়ে গেল তো হয়ে গেল।
  • আশার আর শেষ নাই।
  • আষাঢ়ে না হলে সূত,হা সূত যো সূত, ষোলতে না হলে পুত, হা পুত যো পুত।
  • আষাঢ়ে পান চাষাড়ে খায়,গুয়া বনে পান গড়াগড়ি যায়।
  • আসতেও একা যেতেও একা,কার সঙ্গে বা কার দেখা।
  • আসর ঘরে মশাল নেই, ঢেঁকিশালে চাঁদোয়া।
  • আসলের খোঁজ নেই, সুদের খবর। আসেন লক্ষ্মী যান বালাই।
  • আহ্লাদে আটখানা, ল্যাজা মুড়ো দশখানা।

  • ইঙ্গিতে বুঝলে মন কাজ হতে কতক্ষণ।
  • ইচ্ছা থাকে যার উপায় হয় তার।
  • ইজ্জতের দাম লাখ টাকা।
  • ইটটি মারলেই পাটকেলটি খেতে হয়।
  • ইতো ভ্রষ্টস্ততো নষ্টঃ ন পূর্ব ন পর।
  • ইঁদুর গর্ত খুঁড়ে মরে,সাপ এসে দখল করে।
  • ইন্দ্রের শচী(যখনি যাহার, তখনি তাহার)।
  • ইল্লৎ যায় না ধুলে,স্বভাব যায় না মলে।
  • ইস্তক জুতো সেলাই, নাগাদ চণ্ডী পাঠ।

  • ঈদের চাঁদ।
  • ঈশ্বর ঈশ্বর করে যেই, তার ঘরে ভাত নেই।
  • ঈশ্বর মঙ্গলময়।
  • ঈশ্বর যদি করেন, কর্তা যদি মরেন,তবে ঘরে বসে কেত্তন শুনবো।
  • ঈশ্বর যা করেন মঙ্গলের জন্য।
  • ঈশ্বরে করে কাম মানুষের বদনাম।
  • ঈশান কোণের মেঘে ঝড় ওঠে বেগে(উত্তর ও পুব দিকের মাঝে
  • ঈশানকোণ, )।

  • উই ইন্দুর কুজন,ভাল ভাঙ্গে তিনজন;ছুচ সোহাগা সুজন,ভাল করে তিন জন।
  • উঁচান বাড়ি বড় ভয়,পড়লে বাড়ি সয়ে যায়।
  • উচিত কথা কইতে গেলে, তেলে বেগুনে ওঠে জ্বলে।
  • উচিত কথার ভাত নাই।
  • উচিত কথায় দেবতা তুষ্ট,উচিত কথায় মানুষ রুষ্ট।
  • উচিত কথায় বন্ধু বেজার, গরম ভাতে বিলাই বেজার।
  • উচিত কথায় বন্ধুও বিগড়ায়।
  • উঁচু হবে তো নিচু হও।
  • উচোট খেয়ে প্রণাম।
  • উজাড় বনে শিয়াল রাজা।
  • উঠন্ত বৃক্ষ পত্তনেই চেনা যায়।
  • উঠতি মুলো পত্তনে চেনা যায়।
  • উঠল বাই তো কটক যাই।
  • উড়তে না পেরে পোষ মানা।
  • উড়তে পারে না ফুরফুর করে।
  • উড়ে এসে জুড়ে বসা।
  • উড়ো খই গোবিন্দায় নমঃ।
  • উদ খেতে খুদ নেই, নেউলে বাজায় শিঙে।
  • উদুখলে খুদ নাই চাটগাঁয় বরাত।
  • উদ্যমেন হি সিদ্ধ্যন্তি কার্যাণি ন মনোরথৈঃ;নহি সুপ্তস্য সিংহস্য প্রবিশন্তি মুখে মৃগাঃ।
  • উদ্যোগিনং পুরুষসিংহমুপৈতি লক্ষ্মীঃ।
  • উদারচরিতানাং তু বসুধৈব কুটুম্বকম্।
  • উদে মাছ ধরে,খটাশে তিন ভাগ করে।
  • উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে।
  • উপদেশো হি মূর্খানাং প্রকোপায় না শান্তয়ে।
  • উপোসে যাবে দিন,ধার করলে হবে ঋণ।
  • উপকারী গাছের ছাল থাকে না।
  • উপর থেকে পড়ে গেল জনপাঁচ সাত,যার যেখানে ব্যথা তার সেখানে হাত[যার যেখানে স্বার্থ]।
  • উপরে বাবুয়ানা ভিতরে খড়ের বেনা।
  • উপরোধে ঢেঁকি গেলা।
  • উপায়ং চিন্তয়ন্ প্রাজ্ঞস্ত্বপায়মপি চিন্তয়েৎ[উপায়ং চিন্তয়েৎ প্রাজ্ঞঃ অপায়মপি চিন্তয়েৎ]।
  • উপোস করলে যাবে দিন, ধার করলে হবে ঋণ।
  • উপোসের কেউ নয়, পারণার গোঁসাই(উপোস ভাঙার পারণের সময় ভাল খাদ্য খেতে হাজির)।
  • উল্টা বুঝলি রাম।
  • উল্টে চোরা মশান গায়(চোর উলটে উপদেশ দেয়)।
  • উলুবনে মুক্তো ছড়ানো।

  • ঊনপাঁজুরে বরাখুরে (লক্ষ্মীছাড়া)।
  • ঊনো বর্ষা দুনো শীত।
  • ঊনোভাতে দুনো বল, অতি ভাতে রসাতল।

  • ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ।
  • ঋণকর্তা পিতা শত্রু। [ঋণকর্তা পিতা শত্রুর্মাতা চ ব্যভিচারিণী;ভার্যা রূপবতী শত্রুঃ পুত্র শত্রুরপণ্ডিতঃ।(অপণ্ডিত)]।

  • এ কূল ও কূল দুকূল গেল।
  • এ কি বিধির লীলা খেলা,কাকের গলায় তুলসিমালা।
  • এই ডুমুরের গুমোর কর,পাকলে ডুমুর পড়ে মর।
  • এই ফুরালে খাবে কি,ঘরে তো নেই(বা আছে)আইবুড়ো ঝি(কন্যার বিয়েতে টাকা দাবির ইঙ্গিত)।
  • এই দোষ না হেই দোষ- মাগী তুই ঘুইরা শোছ।
  • এই বএই লা নাও ঘর ছেয়ে,আকাশে মেঘ দেখ চেয়ে।
  • এই বিড়াল বনে গেলে বনবিড়াল(বাঘ)হয়।
  • এই যদি গোরাচাঁদ তবে কালাচাঁদ কেমন।
  • এক আঙুলে তুড়ি লাগে না।
  • এক আঁচড়ে চেনা যায়।
  • এক কড়ার মুরোদ নেই, ভাত মারবার গোঁসাই।
  • এক করতে আর হয়।
  • এক কলসি জল তুলে কাঁকালে দিলে হাত,এই মুখে খাবে তুমি বাগদিনীর ভাত। এক কাটে ভারে আর এক কাটে ধারে।
  • এক ক্ষুরে মাথা কামানো।
  • এক কাঠি বাজে না।
  • এক কান কাটা শহরের বার দে যায়,দু‘কান কাটা শহরের ভিতর দে যায়।
  • এক কানে শোনে অন্য কানে বেরোয়।
  • এক কাল ঠেকেছে তিনকাল গিয়ে, তবু আবার করবে বিয়ে?
  • এক কেঁড়ে দুধে এক ছিটে চোনা।
  • এক খায়,এক থিতায়।
  • এক ঢিলে দুই পাখি মারা।
  • এক গাছের ছাল অন্য গাছে জোড়া লাগে না।
  • এক গাঁয়ে ঢেঁকি পড়ে,আর গাঁয়ে মাথা ব্যাথা।
  • এক গাঁয়ের কুকুর আর গাঁয়ের ঠাকুর।
  • এক গালে চুন, এক গালে কালি।
  • এক গোয়ালে বিয়াইছে গাই- সেই রিস্তায় খালাতো ভাই।
  • একশ্চন্দ্রস্তমো হন্তি ন চ তারাগণা অপি।
  • এক চাঁদে জগৎ আলো।
  • এক চোখে কাঁদা, অন্য চোখে হাসা।
  • এক ছেলে তার ফুলের শয্যে,পাঁচ ছেলে তার কাঁটার শয্যে।
  • এক ছেলের মা, ভয়ে কাঁপে গা। [জনসংখ্যা বাড়ুক সেই ইঙ্গিতও]
  • এক জায়গায় খাল কেটে আরেক জায়গায় খাল ভরায়।
  • এক জায়গায় থাকলে হাঁড়িতে হাঁড়িতে ঠোকাঠুকি হয়।
  • এক ঝিকরে মাছ বেঁধে না সে-ই বা কেমন বড়শি,এক ডাকেতে সাড়া দেয় না সে-ই বা কেমন পড়শি।
  • এক ঢিলে দুই পাখি।
  • এক দোর বন্ধ হাজার দোর খোলা।
  • এক পুতের আশ নদীকূলে বাস।
  • এক পয়সা নাই থলিতে,লাফিয়ে বেড়ায় তবু গলিতে।
  • এক পা জলে, এক পা স্থলে।
  • এক পাগলে রক্ষা নেই সাত পাগলের মেলা।
  • এক পাঁঠা তিন বারে কাটা।
  • এক পোলা যার- হাজার নান্নত তার।
  • এক বুড়ির নানা দোষ,নাকের উপরে হল খোস।
  • এক ব্যঞ্জন ভাত তাও আবার নুনে পোড়া।
  • এক ভস্ম আর ছার,দোষগুণ কব কার।
  • এক মুখ সোনা দিয়ে ভরা যায়,পাঁচ মুখ ছাই দিয়েও ভরে না।
  • এক মুখে তিন কথা শুনে লাগে মনে ব্যথা।
  • এক মুখে দুই কথা।
  • একতাই বল।
  • এক মুরগি ক‘বার জবাই?
  • এক মুরগি সাত জায়গায় জবাই।
  • এক মাঘে শীত যায় না।
  • এক মায়ের এক পুত, খায়দায় যমের দূত।
  • এক মায়ের এক পুত- মইরা গেলে কুক্কুরুত।
  • এক যাত্রায় পৃথক ফল।
  • এক রত্তি দড়ি সকল ঘর বেড়ি।
  • এক লাউ-এর বীচি, কেউবা করে কচর কচর কেউবা আছে কচি।
  • এক সের জিনিসে পাঁচ সের ঠকানো।
  • এক হাটে কিনে আর এক হাটে বেচতে পারে।
  • এক হাতে তালি বাজে না।
  • এক হেঁসেলে তিন রাঁধুনি,পুড়ে মরে তার ফ্যান গালুনি।
  • একচোখো মাসি কারে ভালোবাসি।
  • একটি ইঁদুর যদি নড়ে চোরের প্রাণ ধড়ফড়ে।
  • একটি ভাত টিপলে, হাঁড়িসুদ্ধ ভাতের খবর মেলে।
  • একদিন ঘি-রুটি,একদিন দাঁত-ছিরকুটি।
  • একবার রাজাকার আজীবন রাজাকার, একবার মুক্তিযোদ্ধা আজীবন মুক্তিযোদ্ধা নয়।
  • একবারের রোগী, আরবারের রাজা[রাজা=চিকিৎসক]।
  • একলা ঘরের গিন্নি হব চাবি কাঠি ঘুরিয়ে যাব।
  • একা ঘরের একা বউ খেতে বড় সুখ,মারতে এলে ধরতে নাই তাই বড় দুখ।
  • একা রামে রক্ষা নেই, সুগ্রীব দোসর।
  • একাই একশো।
  • একাদশে বৃহস্পতি।
  • একি ছেলের হাতে মোয়া।
  • একুশ কোঁড়া গুণে খান, ফুলের ঘায়ে মুচ্ছো যান।
  • একে তো মধুপর্কের বাটি তায় আবার কাত।
  • একে তো হনুমান,তায় আবার রামের বাণ।
  • একে মনসা তায় ধুনোর গন্ধ।
  • একে মিনমিন দুয়ে পাঠ, তিনে গোলমাল চারে হাট।
  • এখন না শুনলে বঁধু যৌবনের ভরে,পশ্চাতে কাঁদিতে হবে নয়নের নীরে।
  • এখনই রসগোল্লা খেয়েছি, চা‘য়ে আর চিনি দিও না, ব্লাডসুগার আছে।
  • এখান হতে মারলেম তির লাগল কলা গাছে,উরুত বেয়ে রক্ত পড়ে চোখ গেল রে বাবা(অসংলগ্ন কথা)।
  • এগুলে রাম পেছুলে রাবণ।
  • এগুলেও নির্বংশের বেটা,পেছুলেও নির্বংশের বেটা।
  • এঁটে ধরলে চিঁচিঁ করে, ছেড়ে দিলে লঙ্কা মারে।
  • এঁটো খায় মিঠার লোভে,যদি এঁটো মিঠা লাগে।
  • এঁটো পাত কখনো স্বর্গে যায় না।
  • এঁড়ে গরু, না টেনে দো।
  • এত সুখ যদি কপালে তবে কেন তোর কাঁথা বগলে।
  • এদিক নেই ওদিক আছে।
  • এমনি যায় না মাস,আবার দুদিন বেশি।
  • এমনি নাচুনি বুড়ি, তার উপর ঢোলের বাড়ি।
  • এমনেই নাচুনে বুড়ি, তার ওপর ঢোলের বাড়ি।
  • এমনিতে ছাই- তার উপর বাতাস।
  • এ্যাং যায় ব্যাং যায়,খলসে বলে আমিও যাই।
  • এয়সা দিন নেহি রহেগা।
  • এর মুণ্ডু ওর ঘাড়ে।
  • এরন্ডোঽপি দ্রুমায়তে।
  • এস্পার কি ওস্পার।

  • ঐ দিন আর নাইরে নাতু, খাবলা খাবলা পায়রার ছাতু।

  • ওজন বুঝে চলা।
  • ওঝার ঘাড়ে ভূতের বোঝা।
  • ওঠ ছুঁড়ি তোর বিয়ে[অমনি হল বিয়ে]।
  • ওরে পাগল খাবিনে, না, হাত ধোব কোথা?
  • ওল খেয়ে গোল।
  • ওষুধ ধরেছে।
  • ওস্তাদের মার শেষ রাতে। / ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে।

  • ঔষধার্থে সুরা পান, পান না বাড়ালেই থাকে মান।

  • ক অক্ষর গোমাংস।
  • ক‘টি ছেলে, না, পুড়িয়ে খাব[বধিরদের অসংলগ্ন কথা]।
  • কংস মামার আদর।
  • কই মাছের প্রাণ অল্পেতে না যান।
  • কই হইল আগরতলা, আর, কই চৌকিরতলা।
  • কইতে কইতে মুখ বাড়ে,খাইতে খাইতে পেট বাড়ে।
  • কইতে জানলে ঠকি না,বসতে জানলে উঠি না।
  • কইলাম কথা সবার মধ্যে; যার কথা তার গায়ে যায় বিন্দে
  • কুকুর রাজা হলেও জুতো খায়।
  • কুকুরকে নাই দিলে মাথায় ওঠে।
  • কুকুরের কামড় হাঁটুর নীচে।
  • কুকুরের পেটে ঘি হজম হয় না।
  • কুকুরের মুগের পথ্যি কুকুর বলে মোর এ কি বিপত্তি।
  • কুকুরের লেজে ঘি ঢালেলও সোজা হয় না।
  • কচু কাটতে কাটতেই ডাকাত।
  • কচু পোড়া খাওয়া।
  • কচুর বেটা ঘেচু,বড় বাড়েন তো মান।
  • কচি খুকি, কুলোয় শুয়ে তুলোয় দুধ খান।
  • কুঁজী, না, ঐ তো পুঁজি।
  • কুঁজোর ইচ্ছা চিত হয়ে শোয়।
  • কুত্তা হাগে না ক্ষিদার ডড়ে।
  • কুত্তার পেটে ঘি সয় না।
  • কুত্তার, দৌড় ছারা হাডা নাই, বাইত গা ( ঘরে গিয়া ) দেহে কাম নাই।
  • কুত্তারে যাই তেলুই দিতে- কুত্তায় যায় গু খাইতে।
  • কড়ি থাকলে বেয়াইয়ের বাপের শ্রাদ্ধ হয়, না থাকলে নিজের বাপের শ্রাদ্ধও হয় না।
  • কড়ি দিয়ে কানা গরু কেনা।
  • কড়ি দিয়ে কিনব দই গোয়ালিনী মোর কিসের সই?
  • কড়ি দিয়ে খাই দই,কি করবে মোর গোয়ালা সই?
  • কড়ি দিয়ে হেঁটে নদী পার।
  • কড়ি লবে গুণে, পথ চলবে জেনে [গুরু করবে জেনে,জল খাবে ছেনে,কড়ি লবে গুণে, পথ চলবে জেনে]।
  • কড়ি হলে বাঘের দুধ মেলে।
  • কড়িকাঠ গোণা।
  • কড়ির জিনিস পড়িস না?
  • কুঁড়ে কৃষাণ অমাবস্যা খোঁজে।
  • কুঁড়ে গরুর এঁটুলি সার।
  • কুঁড়ে ঘরে বাস খাট পালঙ্কের আশ।
  • কুঁড়ে পাটুনির মুখে আঁটুনি।
  • কণ্টকেনৈব কণ্টকম্।
  • কত ধানে কত চাল।
  • কত ব্রত করলি যশী,(এখন)বাকি ভূমি-একাদশী।
  • কত রঙ্গ দেখালি মাসি।
  • কত রবি জ্বলে রে, কেবা আঁখি মেলে রে?
  • কত সাধ যায় রে চিতে, বেগুন গাছে আঁকশি দিতে।
  • কতই সাধ হয় রে চিতে,ফোগলা দাঁতে মিশি দিতে।
  • কতইবা দেখব আর ছুঁচোর গলায় চন্দ্রহার।
  • কতক্ষণ রহে শিলা শূন্যেতে মারিলে?
  • কথা টলার চেয়ে পা টলা ভালো।
  • কথায় কথা বাড়ে, ক্রোধে হয় ঝড়, কথা না বাড়িয়ে সখি যাও এবে ঘর।
  • কথায় চিঁড়ে ভেজে না।
  • কথার গুণে বার্তা নষ্ট।
  • কথার নেই মাথা, গরমে গায়ে কাঁথা।
  • কনের ঘরের মাসি, বরের ঘরের পিসি।
  • কনের মা কাঁদে, আর টাকার পুঁটুলি বাঁধে।
  • কপট প্রেমে লুকোচুরি,মুখে মধু প্রাণে ছুরি।
  • কৃপণের ধন বর্বরে খায়, কৃপণ করে হায় হায়।
  • কুপুত্র যদ্যপি হয়,কুমাতা কখন নয়।
  • কপাল গুণে গোপাল ঠাকুর।
  • কপাল ভাঙলে জোড়া লাগে না।
  • কপাল সাথে সাথে ফেরে।
  • কপালে নেইকো ঘি ঠকঠকালে হবে কি?
  • কপালের লিখন না যায় খণ্ডন।
  • কম্বলের লোম বাছতে গাঁ উজাড়।
  • কুমিরের সঙ্গে বিবাদ করে জলে বাস করা।
  • কয়লা ছাড়ে না ময়লা।
  • কয়লা ধুলে ছাড়ে না ময়লা।
  • কুয়ো হয়,আমের ভয়,তাল তেঁতুলের কিছুই নয়[কুয়ো=কুয়াশা]।
  • কর গোবিন্দ বাপের শ্রাদ্ধ আরও বামুন আছে।
  • কর যদি তাড়াতাড়ি, ভুলের হবে বাড়াবাড়ি।
  • করছে কীসের জাঁক, ময়না টিয়ে উড়িয়ে দিয়ে খাঁচায় পোষে কাক।
  • কর্তা পান না, তাই খান না।
  • কর্তা যে ঘি খান তা এক আঁচড়েই মালুম।
  • কর্তার ইচ্ছায় কর্ম,উলু বনে কেত্তন।
  • কর্মণ্যেবাধিকারস্তে না ফলেষু কদাচন।
  • কলসির জল গড়াতে গড়াতেই শেষ।
  • কলা গাছ কাটতে কাটতে ডাকাইত।
  • কলার ভেলায় সাগর পার।
  • কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না।
  • কষতে কষতে বাঁধন ছেঁড়ে।
  • ক্ষুদ খেয়ে পুঁজি করে দু-পুরুষে খরচ করে।
  • ক্ষমার বড় গুণ নাই, দানের বড় পুণ্য নাই।
  • ক্ষিদের চোটে পাটকেলে কামড়।
  • ক্ষেত্রে কর্ম বিধিয়তে।
  • ক্ষেতের চাষে দুঃখ নাশে।
  • কা কস্য পরিবেদনা।
  • কাক কোকিল একই বর্ণ, কিন্তু স্বরে ভিন্ন ভিন্ন।
  • কাক খায় কাঁঠাল,বকের মুখে আঠা।
  • কাক মনে করে আমি বড় সেয়ানা।
  • কাক সকলের মাংস খায়,কাকের মাংস কেউ খায় না।
  • কাকের উপর কামানের চোট।
  • কাগের ছা, বগের ছা(লেখা)।
  • কাকের ডিম সাদা হয়, বিদ্বানেরও ছেলে গাধা হয়।
  • কাকের পিছে ফিঙে লাগা।
  • কাকের বাসায় কোকিলের ছা,জাত স্বভাবে কাড়ে রা।
  • কাকের মাংস কাকে খায় না,জোঁকের গায়ে জোঁক বসে না।
  • কাঙলা আপনা সমালা।
  • কাঙালকে শাকের ক্ষেত দেখাতে নেই।
  • কাঙালের কথা বাসি হলে মিঠে।
  • কাঙালের ঘোড়া রোগ।
  • কাঙালের ঠাকুর ব্যাধি।
  • কাঙালের রাংতা-ই সোনা।
  • কাচঃ কাচো মণির্মণিঃ।
  • কাচায় না নোয়ালে বাশ পাকলে করে ঠাস ঠাস।
  • কাঁচপোকার আরশোলা ধরা।
  • কাঁচা খাই,ডাসা খাই, আর খাই পাকা।
  • কাঁচা গাথুনি, দুনো খাটুনি।
  • কাঁচা বাঁশ ঘুণ ধরা।
  • কাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরলে, রক্ষা নাই তার কোনও কালে।
  • কাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরা।
  • কাঁচা মাটিতে পা দেওয়া।
  • কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে টাঁশ টাঁশ।
  • কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ…।
  • কাছা দেয়ার কাপড় নাই মাথার ওপর ঘোমটা চাই।
  • কাছা দিতে কোঁচা আঁটে না,কোঁচা দিতে কাছা আঁটে না।
  • কাজ নেই কাজ করে, ধানে চালে এক করে।
  • কাজ সেরে বসি, শত্রু মেরে হাসি।
  • কাজও নেই, কামাইও নেই।
  • কাজীর গাই কিতাবে আছে- গোয়ালে নাই।
  • কাজে এড়া ভোজনে দেড়া।
  • কাজে কুঁড়ে ভোজনে দেড়ে,বচনে মারে তেড়ে ফুঁড়ে।
  • কাজে কম খেতে যম।
  • কাজের বেলায় কাজী, কাজ ফুরোলে পাজি।
  • কাজের বেলায় ভাগে খাবার বেলায় আগে।
  • কাজের মধ্যে চাষ, রোগের মধ্যে কাশ।
  • কাজের মধ্যে দুই খাই আর শুই।
  • কাজের সময় কাজী, কাজ ফুরালেই পাজী!
  • কাটতে কাটতে নির্মূল।
  • কাটলে রক্ত নেই, কুটলে মাংস নেই।
  • কাটা কান চুল দিয়ে ঢাকি।
  • কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে।
  • কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা।
  • কাঁটা বিনা কমল নাই, কলঙ্ক বিনা চাঁদ নাই।
  • কাঠবিড়ালীর সেতুবন্ধন।
  • কাঠের বিড়াল হোক তাতে কিবা আসে যায়, ইঁদুর ধরে কিনা সেটাই বিষয়।
  • কাঠের বিড়াল হোক, ইঁদুর ধরতে পারলেই হল।
  • কাঁড়ানো চালে তিন ঘা পাড়।
  • কাঁধে কুড়ুল বনময় খোঁজা।
  • কানু ছাড়া গীত নাই।
  • কান টানলে মাথা আসে।
  • কানা ক‘বার নড়ি(যষ্টি) হারায়?
  • কানা গরু বামুনকে দান।
  • কানা গরুর ভিন’ন গোঠ।
  • কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন।
  • কানা পুতে পোষে, রাজা বেটি(ঝিয়ে/বৌয়ে) শোষে।
  • কানা পুতের নানা রোগ।
  • কানা মেঘের বৃষ্টি সর্বত্র নয় দৃষ্টি।
  • কানে কলম গুঁজে দুনিয়ায় খোঁজা।
  • কানে দিয়েছ তুলো, পিঠে বেঁধেছ কুলো।
  • কানে হাত না দিয়েই বলে কান নিয়ে গেল চিলে
  • কানের জল, জল দিলেই বেরোয়।
  • কানের পোকা বের করা।
  • কাপড় দিয়ে আগুন ঢাকা।
  • কাপড় হলে পচা,আঙ্গুল হয় খোঁচা।
  • কাপড়ের দাগ যায় ধুলে, মনের দাগ যায় ম‘লে।
  • কাম নাই কুত্তার, আইলে আইলে দৌড়।
  • কামারের দুহানে কুরান শরীফ পরুমনি?
  • কামাতে না পারেন নাপিত ধামা ভরা ক্ষুর।
  • কামানো মাথায় ক্ষুর বোলানো।
  • কামারের কাছে লোহা জব্দ।
  • কার কপালে কেবা খায়।
  • কার শ্রাদ্ধ কে বা করে, খোলা কেটে বামুন মরে।
  • কার শ্রাদ্ধ, বামুনের হদ্দ।
  • কার সাধ্য মারে তারে,খোদা যারে রাজি।
  • কারও ঘর পোড়ে, কেউ আগুন পোহায়(খই খায়)।
  • কারও পৌষ মাস কারও সর্বনাশ।
  • কারও শাকে বালি, কারও দুধে চিনি।
  • কারে পড়লে আল্লার নাম।
  • কাল রাম রাজা হবে আজ বনবাস।
  • কাল হাঁড়ি, কেয়া পাত, তবে দেখবি জগন্নাথ।
  • কালনেমির লঙ্কা ভাগ।
  • কালস্য কুটিলা গতিঃ।
  • কালা পুরুত, তোতলা যজমান।
  • কালা বলে গায় ভালো, কানা বলে নাচে ভালো।
  • কালা শোনে ঢাকের বাদ্যি,কালা বলে মোর বিয়ের বাদ্যি।
  • কালি কলম পাত, তবে লেখার হাত।
  • কালি কলম মন,লেখে তিন জন।
  • কালির অক্ষর নাইকো পেটে, চণ্ডী পড়ে কালীঘাটে।
  • কালে কত দেখব আর, ছুঁচোর গলায় চন্দ্রহার।
  • কালে কালে কতই হল, পুলি পিঠের লেজ গজালো।
  • কালের আবার কালাকাল।
  • কালো জগত আলো।
  • কালোয় কালোয় ধলো হয় না।
  • কালো কাপড় রুখু মাথা, লক্ষ্মী বলেন থাকব কোথা?
  • কাশীধামে কাক মরেছে কুমিল্লাতে হাহাকার।
  • কি অপূর্ব সৃষ্টি না তিত না মিষ্টি।
  • কি দেব, কি দেব খোঁটা, গয়ায় মরেছে (তার) বাপ-বেটা।
  • কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে, কভু আশীবিষে দংশেনি যারে।
  • কিনতে পাগল, বেচতে ছাগল।
  • কিবা জ্যেষ্ঠ কি কনিষ্ঠ,যেই বুঝে সেই শ্রেষ্ঠ।
  • কিমাশ্চর্যমতঃপরম্।
  • কিল খেয়ে কিল চুরি।
  • কিলিয়ে কাঁঠাল পাকানো।
  • কিয়ের মইধ্যে কী পান্তাভাতে ঘি।
  • কিসে নেই কী, পান্তাভাতে ঘি।
  • কী জামানা আইলো রে নানী; বাঘের খাচায় ছাগল ঢুইকা করে কত মস্তানি
  • কীর্তিযস্য স জীবতি[চলচ্চিত্তং চলদ্বিত্তং চলজ্জীবনযৌবনম্। চলাচলমিদং সর্বং কীর্তিযস্য স জীবতি]।
  • কেউ মরে, কেউ হরি হরি বলে।
  • কেউ মরে বিল সেচে কেউ খায় কই।
  • কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরুলো।
  • কেঁচো দিয়ে কাতলা ধরা।
  • কোথা রাম রাজা হবে, না কোথা রাম বনে যাবে।
  • কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
  • কোদাল পাড়লেই হয় না চাষ।
  • কোন্ আক্কেলে কয় সংসার আমার নয়?
  • কোন কালে নাইকো গাই, চালুনি নিয়ে দুইতে যাই।
  • কোন্ বা বিয়ে তার দুপায়ে আলতা।

  • খঞ্জনের নাচ দেখে চড়ুইয়ের নাচ।
  • খুঁট আখুরে গাঁয়ের বালাই(অল্প শিক্ষিত)।
  • খুঁটির জোরে মেড়া লড়ে।
  • খড়ম পায়ে দিয়ে গঙ্গা পার।
  • খড়ের আগুন যেমন জ্বলে তেমন নেভে।
  • খাই দাই বাঁশি বাজাই, রগড়ের ধার ধারি না।
  • খাই দাই ভুলিনি, তত্ত্ব কখন ছাড়িনি।
  • খাইতে পায় না খুদের ভাত, পুটকি দিয়া দেয় ম্যারা পিঠা।
  • খাওয়াবে হাতির ভোগে, দেখবে বাঘের চোখে।
  • খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি
  • খাচ্ছিল তাঁতি তাঁত বুনে,কাল কাল হল তার এঁড়ে গরু কিনে।
  • খাঁচায় পুরে খোঁচা মারা।
  • খাট ভাঙ্গলে ভূমিশয্যে।
  • খাটে খাটায় লাভের গাঁতি,তার অর্ধেক মাথার ছাতি;ঘরে বসে পুছে বাত,তার কপালে হা-ভাত।
  • খাতায় নাম লেখানো।
  • খাঁদা নাকে তিলক পরা।
  • খাঁদা নাকে নথ আর গোদা পায় মল।
  • খাবার আছে চা‘বার নেই, দেবার আছে নেবার নেই।
  • খাবার বেলায় মস্ত হাঁ, উলু দেবার বেলায় মুখে ঘা।
  • খাবার বেলায় ন‘বার মা, ছেলে ধরতে কেউ না।
  • খাবার সময় শোবার চিন্তা।
  • খায় দায় পাখিটি,বনের দিকে আঁখিটি।
  • খায় না খায় সকালে নায়,হয় না হয় দুবার যায়;তার কড়ি কি বৈদ্যে খায়?
  • খায় মালকোঁচা মেরে ওঠে হাঁটু ধরে।
  • খাল কেটে কুমির আনা।
  • খাল পার হয়ে কুমিরকে কলা দেখানো।
  • খালি কলসি বাজে বেশি।
  • খিড়কি দিয়ে হাতি গলে, সদরে বাধে ছুঁচ।
  • খেঁকি কুকুরের ঘেউ ঘেউ সার।
  • খেতে খেতে লোভ বাড়ে, কাঁদতে কাঁদতে শোক বাড়ে।
  • খেতে পায় না পচা পুঁটি, হাতে পরে হিরের আংটি।
  • খেতে পেলে শুতে চায়।
  • খেদাই না, তোর উঠোন চষি।
  • খেয়ে দেয়ে একাদশী।
  • খোঁড়ার পা খানায় পড়ে।
  • খোদর ওপর খোদকারি।
  • খোদার নাও দোয়ায় চলে।
  • কাদায় পড়লে হাতি, চামচিকেতে মারে লাথি।
  • খোশ খবরের ঝুটাও ভাল।
  • খোসে তেল নেই, কলাবড়ার সাধ।

  • গঙ্গা গঙ্গা না জানি কত রঙ্গা-চঙ্গা।
  • গঙ্গা জলে গঙ্গা পূজা।
  • গঙ্গার জল গঙ্গায় র‘ল, পিতৃপুরুষ উদ্ধার হল।
  • গজভুক্তকপিত্থবৎ[এখানে গজ=কয়েৎবেলের ভিতরের ক্ষুদ্র পোকা, কপিত্থ=কয়েৎবেল]।
  • গুটি পোকা গুটি করে, নিজের ফাঁদে নিজে পড়ে।
  • গড়তে চায় ঠাকুর, হয়ে যায় কুকুর।
  • গুণে নুন দিতে নেই/গুণের ঘাট নেই(গুণহীনকে ব্যঙ্গ)।
  • গুণের বালাই নিয়ে মরি।
  • গতর নেই চোপায় দড়,মেঙ্গে খায় তার পালি বড়।
  • গতস্য শোচনা নাস্তি।
  • গদাইলসকরি চাল।
  • গুনে কড়ি জলে ফেলা।
  • গব্য থাকলে আগে পাছে,কি করবে তার শাকে মাছে।
  • গুবরে পোকার পদ্মমধু খেতে সাধ।
  • গভীর জলের মাছ।
  • গরু জরু ধান রাখ বিদ্যমান/গরু জরু ধান না দেখলেই যান।
  • গুরু বোবা, শিষ্য কালা(কালা=বধির)।
  • গুরু মারা বিদ্যে।
  • গরু মেরে জুতো দান।
  • গরজ বড় বালাই।
  • গর্জায় কিন্তু বর্ষায় না।
  • গর্তের সাপ খুঁচিয়ে বার করা।
  • গ্রহণ লাগলে সাবই দেখে(গ্রহণ = বিপদ)।
  • গ্রামের নাম তেঘরে, তার আবার উত্তর পাড়া দক্ষিণ পাড়া।
  • গরিবের কথা বাসি হলে মিঠে লাগে।
  • গরিবের ঘোড়া রোগ।
  • গরীবের বৌ হগ্গলের ভাবি।
  • গরিবের রাঙতাই সোনা।
  • গরু গোয়ালের পাশের ঘাস খায় না।
  • গলা টিপলে এখনও দুধ বেরোয়।
  • গলায় কাঁটা ফুটলে বেড়ালের পায়ে ধরে।
  • গলার নীচে গেলে আর মনে থাকে না।
  • গৃহ স্থির আগে কর, গৃহিনী স্থির তার পরে।
  • গৃহিনী গৃহমুচ্যতে।
  • গাঁ বড়, তার মাঝে পাড়া, নাক নেই তার নথ নাড়া।
  • গাঁয়ে মানে না, আপনি মোড়ল।
  • গাই কিনবে দুয়ে বলদ কিনবে বেয়ে।
  • গাই ছিল না হল গাই,চালুনি নিয়ে দুইতে যাই।
  • গাই নেই তো বলদ দো।
  • গাই বাছুরে ভাব থাকলে মাঠে গিয়ে দুধ দেয়।
  • গাইতে গাইতে গায়েন, বাজাতে বাজাতে বায়েন।
  • গাঙ্গে গাঙ্গে দেখা হয়, বোনে বোনে নয়।
  • গাছ থেকে পড়ে গেল জন পাঁচ সাত, যার যেখানে ব্যথা তার সেখানে হাত।
  • গাছে উঠতে পারে না বড় আমটি আমার।
  • গাছে ওঠে পড়তে, জামিন দেয় মরতে।
  • গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।
  • গাছে তুলতে সবাই আছে।
  • গাছে তুলে মই কেড়ে নেওয়া।
  • গাছে/গাছ না উঠতেই এক কাঁদি।
  • গাছের পরিচয় ফলে।
  • গাছেরও খায় তলারও কুড়ায়।
  • গাজনের নেই ঠিক ঠিকানা, ডেকে বলে বাজনা বাজা।
  • গাধা জল ঘোলা করে খায়।
  • গাধা পিটিয়ে ঘোড়া করা।
  • গায়ে ওড়ে খড়ি, কলপ দেওয়া দাড়ি।
  • গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল।
  • গায়ের কালি ধুলে যায় মনের কালি ম‘লে যায়।
  • গায়ের গন্ধে ভূত পালায়,মাথায় ফুলেল তেল।
  • গিন্নির উপর গিন্নিপনা ভাঙা পিঁড়েয় আলপনা।
  • গিন্নির পাপে গেরস্থ নষ্ট।
  • গেঁয়ো যোগীর ভিখ মেলে না।
  • গোঁগা(গোঁ গোঁ করে কথা বলে, অর্থাৎ বোবা) ছেলের নাম তর্কবাগীশ।
  • গোজন্ম ঘুচে গন্ধর্ব জন্ম।
  • গোড়া কেটে আগায় জল।
  • গোদা পায়ে মল।
  • গোদের উপরে বিষফোঁড়া।
  • গোঁফ দেখলেই শিকারী বেড়াল চেনা যায়।
  • গোঁফ নেই কোনও কালে,দাড়ি রেখেছেন তোবড়া গালে(অনভিজ্ঞ প্রয়াস)। গোঁয়ারের মরণ খোঁয়ারে।
  • গোভাগ্য নেই,এঁটুলি ভাগ্য আছে।
  • গো-মড়কে মুচির পার্বণ।
  • গোলে হরিবোল।

  • ঘটি ডোবে না নামে তালপুকুর।
  • ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখনি।
  • ঘট গড়তে পারে না মেটের বায়না নেয়(মেটে=বড় জালা)।
  • ঘটকালি করতে গিয়ে বিয়ে করে আসা।
  • ঘুঁটে কুড়ুনির ব্যাটার নাম চন্দনবিলাস।
  • ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে, তোমার একদিন আছে শেষে।
  • ঘন দুধের ফোঁটা, বড় মাছের কাটা(ভাল জিনিসের অল্পও ভালো)।
  • ঘন্টা বাজিয়ে দুর্গোৎসব, ইতু পুজোয় ঢাক।
  • ঘুমন্ত বাঘে শিকার ধরে না।
  • ঘ্যান ঘেনে যে খোকা, বের করে কান-পোকা।
  • ঘর কন্না করতে গেলে ঘটি বাটির সঙ্গে ঝগড়া হয়।
  • ঘর চোরে পার নেই।
  • ঘর থাকতে বাবুই ভেজা।
  • ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখে ডরায়।
  • ঘর ফাঁদবে ছাইবে না, ধার দেবে চাইবে না।
  • ঘর ভেদেই রাবণ নষ্ট।
  • ঘর সন্ধানী বিভীষণ।
  • ঘর-জ্বালানো,পর ভুলানো।
  • ঘরজামাইয়ের পোড়া মুখ, মরা বাঁচা সমান সুখ।
  • ঘরদোর নেই যার আগুনে কি ভয় তার।
  • ঘরমুখো বাঙালি, রণমুখো সেপাই।
  • ঘরামির ঘর ছেঁদা।
  • ঘরে ছুঁচোর কেত্তন, বাইরে কেঁচোর পত্তন।
  • ঘরে নেই ঘটিবাটি, কোমরে মেলাই চাবি কাঠি।
  • ঘরে নেই ভাত কোঁচা তিন হাত।
  • ঘরে নেই যা, বাছা মাগে তা।
  • ঘরে বসিয়ে মাইনে দেয় এমন মনিব কোথোয় পাব?
  • ঘরে বসে রাজা উজির মারা।
  • ঘরে বসে রাজার মাকে ডাইনি বলা।
  • ঘরে বাইরে এক মন তবে হয় কৃষ্ণ ভজন।
  • ঘরে ভাত না থাকলে শালগ্রামের সোনা বেচে খায়।
  • ঘরে ভাত নেই দোরে চাঁদোয়া।
  • ঘরে ভাত নেই, যত্নে ঘাট নেই।
  • ঘরের ইঁদুর বাঁশ কাটলে ধরে রাখে কে?
  • ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো।
  • ঘরের ঢেঁকিই কুমির।
  • ঘরের ভাত দিয়ে শকুনি পোষে, গোয়ালের গরু টেঁকে কীসে?(নীচকে উপকার করার ফল)।
  • ঘরের মা ভাত পায় না, পরের জন্য মাথা ব্যথা।
  • ঘরের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা।
  • ঘরের শত্রু বিভীষণ।
  • ঘরের ষাঁড় পেট ফাঁড়ে।
  • ঘষতে ঘষতে পাথরও ক্ষয়ে যায়।
  • ঘষে মেজে রূপ, আর ধরে বেঁধে প্রেম।
  • ঘষে মেজে সুন্দরী।
  • ঘায়ো কাঠালের মুচি খদ্দর।
  • ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে গেল।
  • ঘি আদুড়, ঘোল ঢাকা।
  • ঘি দিয়ে ভাজ নিমের পাতা, তবু যায় না জাতের জাতা।
  • ঘি ভাত খেতে ঠোঁট পুড়লো।
  • ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া।
  • ঘোড়া থাকলে চাবুকের ভাবনা?
  • ঘোড়া দেখলেই খোঁড়া।
  • ঘোড়া ভেড়ার এক দর।
  • ঘোড়ার কামড় ছাড়তে জানে না।
  • ঘোড়ার গোয়ালে ভেড়া ঢোকা।
  • ঘোড়ার ঘাস কাটা।
  • ঘোড়ার পেট গাধার পিঠ,খালি থাকে কদাচিৎ।
  • ঘোমটার ভিতর খ্যামটা নাচা।
  • ঘোমটার তলে খেমটা নাচ।

  • চক চক করলেই সোনা হয় না।
  • চক্রবৎ পরিবর্তন্তে দুঃখানি চ সুখানি চ।
  • চক্রবৎ পরিবর্তন্তে দুঃখানি সুখানি চ।
  • চক্ষু কর্ণের বিবাদ ভঞ্জন।
  • চক্ষে চক্ষে যত ক্ষণ, প্রাণ পোড়ে ততক্ষণ।
  • চক্ষে দেখলে শুনতে চায় এমন বোকা আছে কোথায়?
  • চক্ষের আড়াল হলেই মনের আড়াল।
  • চড় মেরে গড় করা।
  • চড় মেরে চড় খাওয়া।
  • চূড়ার উপর ময়ূর পাখা।
  • চণ্ডীচরণ ঘুঁটে কুড়োয়, রামা চড়ে ঘোড়া।
  • চতুরের সঙ্গে চতুরালি।
  • চন্দনং ন বনে বনে।
  • চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল, জোনাকি ধরে বাতি;মোগল পাঠান হদ্দ হল ফারসি পড়ে তাঁতি।
  • চরণামৃত চরণামৃত, না জানি কি অমৃত,খেয়ে দেখি না জল।
  • চুরি বিদ্যে বড় বিদ্যে যদি না পড়ে ধরা, যদি পড়ে ধরা তবে হাতে পায়ে দড়া। চুল থাকে তো বাঁধি, গুণ থাকে তো কাঁদি।
  • চলতে পারে না তার বন্দুক ঘাড়ে।
  • চল্লেই চল্লিশ বুদ্ধি, না চল্লেই হতবুদ্ধি।
  • চুলোর উপর ক্ষীর মন নয় স্থির।
  • চাকরি তালপাতার ছাউনি।
  • চাকরি মেঘের ছায়া,মিছে কর তার মায়া।
  • চাচা আপন প্রাণ বাঁচা।
  • চাচাই বল কাকাই বল,কলাটি পাঁচ কড়া।
  • চাঁদে কলঙ্ক আছে, গোলাপে কণ্টক।
  • চাঁদের কাছে জোনাকি পোকা,ঢাকের কাছে টেমটেমি।
  • আকাশে থুতু ফেললে নিজের গায়ে পড়ে।
  • চাপ পড়লেই বাপ।
  • চাল কি দর, না মামার ভাতে আছি।
  • চাল নাই ধান নাই,গোলাভরা ইঁদুর।
  • চাল নেই তার ধুচুনি নাড়া,নাক নেই তার নথ নাড়া।
  • চালুনি বলে ছুঁচ তোর পিছনে ফুটো।
  • চালুনি বলে ধুচুনি ভাই তুমি বড় ফুটো।
  • চালে খড় নেই,ঘরে বাতি, বিছানা নেই পোহায় রাতি।
  • চালের দর কত, না মামার ভাতে আছি।
  • চালের বাতায় মাণিক থুয়ে উলু বনে হাতড়ানো।
  • চিঁড়ের বাইশ ফের।
  • চিন্তা জ্বরো মনুষ্যানাম্।
  • চিন্তের মায়ের চিন্তে হাটের লোক শোয় কোথা।
  • চিৎপাতের কড়ি উৎপাতে যায়।
  • চিল পড়লে কুটোটাও নিয়ে ওঠে।
  • চিলে কান নিয়ে গেল।
  • চেটায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন।
  • চেনা বামুনের পৈতে লাগে না।
  • চোখ থাকতে কানা।
  • চোখ বন্ধ করলে কি প্রলয় বন্ধ হয়?
  • চোখের দোষে সব হলদে।
  • চোর চায় ভাঙা বেড়া।
  • চোর ছেঁচড় চোপায় দড়, আগে দৌড়ায় ঠাকুর ঘর।
  • চোর দিয়ে চোর ধরা।
  • চোর ধরতে চোরকে লাগানো।
  • চোর গেলে বুদ্ধি বাড়ে।
  • চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
  • চোর ভাল তো বেকুব ভালো না।
  • চোরকে বলে চুরি করতে গেরস্তকে বলে সজাগ থাকতে।
  • চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী।
  • চোরে উপর বাটপাড়ি।
  • চোরে কামারে দেখা নেই সিঁধ কাঠি গড়া।
  • চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
  • চোরের উপর বাটপারি।
  • চোরের উপর রাগ করে মাটিতে ভাত খাওয়া।
  • চোরের শতেক রাত গেরস্থের এক রাত।
  • চোরের গরু গোয়ালে বাঁধা।
  • চোরের দশদিন, গেরস্থের এক দিন।
  • চোরের মনে বোঁচকা।
  • চোরের মা’র বড় গলা।
  • চোরের রাত্রিবাসও লাভ।
  • চোরের সাক্ষী গাঁট কাটা, শুঁড়ির সাক্ষী মাতাল।
  • চোরের সাক্ষী গাইদ কাটা।
  • চোরের সাক্ষী মাতাল।
  • চৌকিদারি কি ঝকমারি।

  • ছুঁচ হয়ে ঢোকে ফাল হয়ে বেরোয়।
  • ছুঁচো মেরে হাতে গন্ধ।
  • ছুঁচোয় যদি আতর মাখে তবু কি তার গন্ধ ঢাকে।
  • ছুঁচোর গোলাম চামচিকে,তার মাইনে চৌদ্দ সিকে।
  • ছল করে জল আনা।
  • ছাই চাপা কি আগুন রয়?
  • ছাই পায় না, মুড়কি জলপান।
  • ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো।
  • ছাগল দিয়ে ধান মাড়ানো।
  • ছাগল বলে আলুনি খেলাম,গেরস্ত বলে প্রাণে ম‘লাম।
  • ছাগলে কি না খায়, পাগলে কি না কয়?
  • ছাগলের তৃতীয় সন্তান[বঞ্চিত]
  • ছাঁচের ঘরে খাবি খায়, সমুদ্রপার হতে চায়।
  • ছাতুর হাঁড়িতে বাড়ি পড়া।
  • ছাতা দিয়ে মাথা রাখা।
  • ছায়াতে ভূত দেখা।
  • ছাল নেই কুত্তার বাঘা নাম।
  • ছাল নাই কুত্তার বাঘা ফাল।
  • ছিকলি কাটা টিয়া।
  • ছিঁড়ল দড়া তো ছুটল ঘোড়া।
  • ছিঁড়ে ছিঁড়ে কাটুনি, পুড়ে পুড়ে রাঁধুনি।
  • ছিলাম রোগী হলাম রোজা।
  • ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকা স্বপ্ন দেখা।
  • ছেড়ে দিয়ে তেড়ে ধরা।
  • ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি।
  • ছেঁদো কথার মাথায় জটা, খুলতে গেলে বিষম ল্যাঠা।
  • ছেলের চেয়ে ছেলের মাথা ভারী।
  • ছেলের হাতের মোয়া।
  • ছোট কাঁটাটি ফোটে পায়,তুলে ফেল নইলে দায়।
  • ছোট মুখে বড় কথা।
  • ছোট সরাটি ভেঙে গেছে, বড় সরাটি আছে, নাচ-কোঁদ কেন বউ, আমার আন্দাজ আছে।

  • জগৎ জুড়ে জাল ফেলেছে, পালিয়ে বাঁচবি কোথা?
  • জঙ্গলা কখন পোষ না মানে, মন সদা তার সোঁদর বনে।
  • জুতো মেরে গরু দান।
  • জুতো মেরেছে অপমান তো করেনি?
  • জন জামাই ভাগনা এ তিন নয় আপনা।
  • জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী।
  • জন্ম মৃত্যু বিয়ে__ তিন বিধাতা দিয়ে।
  • জন্মে দেখেনি লোহা, কোদালকে বলে গুণছুঁচ।
  • জন্মের মধ্যে কর্ম নিমুর চৈত্র মাসে রাস(সামান্য কাজ করে অকর্মণ্য লোকের অহংকার)।
  • জপ নেই তপ নেই ভস্মমাখা গায়।
  • জপতপ কর কি মরতে জানলে ডর কি?
  • জমি অভাবে উঠোন চষা।
  • জুয়াচোরের বাড়ি ফলার, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।
  • জ্যান্ত মাছে পোকা পড়ানো।
  • জল খেয়ে জলের বিচার(জাত জিজ্ঞাসা)।
  • জল ছিটালে লগির খোঁচা খেতে হয়।
  • জল জল বৃষ্টির জল, বল বল বাহুবল।
  • জলে কুমির ডাঙায় বাঘ।
  • জলে তেলে মিশ/খাপ খায় না।
  • জলে পাথর পচে না।
  • জলে বাস করে কুমিরের সঙ্গে বিবাদ।
  • জলের কুমির ডাঙ্গায় এল।
  • জলের ছিটে দিয়ে লগির গুঁতো খাওয়া।
  • জলের শত্রু পানা, মানুষের শত্রু কানা।
  • জাগন্ত ঘরে চুরি নেই।
  • জাতও গেল পেটও ভরল না।
  • জাতের পোলা আববা কয়..কুকখেনের পোলা শালা কয়।
  • জানিবে শমন ভয়, দুর্জনের আশ্রয়।
  • জামায়ের জন্য মারে হাঁস গুষ্টি সুদ্ধ খায় মাস।
  • জামের খোসা ফেলে খাওয়া।
  • জাল ছেঁড়া পলো ভাঙা(দুর্ধর্ষ লোক)।
  • জিব পুড়ল আত্মদোষে, কি করবে মোর হরিহর দাসে।
  • জীব দিয়েছেন যিনি আহার দেবেন তিনি।
  • জেলের পরনে টেনা, মাছ বেচুনির কানে।
  • জোছনাতে ফটিক ফোটে, চোরের মায়ের বুক ফাটে।
  • জোয়ার মাত্রেই ভাঁটা আছে।
  • জোয়ারের জল কতক্ষণ।
  • জোর যার মুল্লুক তার।

  • ঝড়ে বক মরে, ফকিরের কেরামৎ বাড়ে।
  • ঝাঁকের কই ঝাঁকে ফিরে যায়।
  • ঝাঁঝরি বলে ছুঁচকে তুই বড় ফুটো।
  • ঝাঁটা দিয়ে বিষ ঝাড়ানো।
  • ঝি জব্দ কিলে, বউ জব্দ শিলে, পাড়াপড়শি জব্দ হয় চোখে আঙুল দিলে।
  • ঝিকে মেরে বৌকে শেখানো।
  • ঝি রে মাইরা বউরে বুঝায়।
  • ঝির ঝি করবে কি(অনাবশ্যাক আশা)?
  • ঝোলে ঝালে অম্বলে, সব ঠাঁই বেগুন চলে।

  • টক টেশো আঁটিসারা, শাঁসশূন্য আঁশ ভরা, এই আম বিলাবার ধারা।
  • টকের জ্বালায় দেশ ছাড়লাম তেঁতুল তলায় বাস।
  • টাক, প্রকৃতি, গোদ মরণে হয় শোধ।
  • টাকা তুমি যাচ্ছ কোথা? পিরিত যথা; আসবে কবে? বিচ্ছেদ যবে(টাকা ধার চাইলে বন্ধু বিচ্ছেদ)।
  • টাকা যার মামলা তার।
  • টাকায় টাকা আনে।
  • টান দিয়ে বাঁধলে সট করে ছেঁড়ে।
  • টেনে বাঁধতে কুলোয় না।

  • ঠক/ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়।
  • ঠকঠকালে হবে কি, কপালে তোর নেই কো ঘি।
  • ঠগ বাছতে গাঁ উজোড়।
  • ঠাকুর ঘরে কে, না আমি তো কলা খাই না।
  • ঠাট ঠমকে বিকোয় ঘোড়া।
  • ঠেকবি যখন শিখবি তখন।
  • ঠেলার নাম বাবাজী।
  • ঠেলায় পড়ে ঢেলায় সেলাম।
  • ঠেলার নাম বাবাজি।

  • ডুব দিয়ে খাই পানি আল্লা জানে আর আমি জানি।
  • ডুব দিয়ে জল খেলে অমাবস্যার বাপেও জানে না।
  • ডুবেছি না, ডুবতে আছি, দেখি পাতাল কত দূর?
  • ডুমুরের ফুল, সাপের পা।
  • ডাইনে আনতে বাঁয়ে কুলোয় না।
  • ডাইনের কোলে পুত্র সমর্পণ।
  • ডাইলের মধ্যে মুশুরি, সাগাইর (আত্মীয়) মধ্যে শ্বাশুড়ি।
  • ডাকলে ডাক, বসলে ক্রোশ, পথ বলে মোর কিসের দোষ।
  • ডাঙায় বাঘ জলে কুমির।
  • ডানের মায়া বোঝা ভার।
  • ডান্ডা মেরে ঠান্ডা।
  • ডোবা দেখলেই ব্যাঙ লাফায়।
  • ডোল ভরা আশা, কুলো ভরা ছাই।

  • ঢাক বাজিয়ে ইঁদুর ধরা।
  • ঢাকী সুদ্ধ বিসর্জন।
  • ঢাকের কাছে ট্যামটেমি।
  • ঢাকের দায়ে মনসা বিক্রি।
  • ঢাকের বাদ্যি থামলে মিষ্টি।
  • ঢাল নাই, তরোয়াল নাই, নিধিরাম সর্দার।
  • ঢিল দিয়ে ঢিল টেনে আনা।
  • ঢিলটি মারলেই পাটকেলটি খেতে হয়।
  • ঢেঁকি কেন গাঁ বেড়াক না, গড়ে পড়লেই হল।
  • ঢেঁকি ভজে‘(ভজনা করে) স্বর্গে যাওয়া যায় না।
  • ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে।
  • ঢেঁকির কচকচি আর ঢাকের বাদ্যি চুপ করলেই ভাল।
  • ঢেঁকিশাল দিয়ে কটক যাওয়া।
  • ঢেঁকিশালে যদি মানিক পাই, তবে কেন পর্বতে যাই।
  • ঢেউ দেখে লা‘[লা‘=না=নৌকো] ডুবিও না।

  • তুক তাক ছয় মাস, কপালে যা বারো মাস।
  • তৃণবন্মন্যতে জগৎ[জগৎকে তৃণের মতো দেখে]।
  • তপ্ত জলে ঘর পোড়ে না।
  • তপ্ত ভাতে নুন জোটে না, পান্তা ভাতে ঘি।
  • তুফানে ছেড়ো না হাল, নৌকা হবে বানচাল।
  • তুফানে যে হাল ধরে না, সেই বা কেমন নেয়ে, কথা পাড়লে বুঝতে পারে না, সেই বা কেমন মেয়ে।
  • তুমি খাও ভাড়ে জল আমি খাই ঘাটে।
  • তুমি ফের ডালে ডালে আমি ফিরি পাতায় পাতায়।
  • তুলো যেমন শুনতে নরম,বুনতে তেমন নয়।
  • তৃষ্ণা এগোয় না জল এগোয়(কার গরজ বেশি?)।
  • তস্মিন্ তুষ্টে জগৎ তুষ্টম্।
  • তাত সয়,তবু বাত সয় না।
  • তাঁতী রাগে কাপড় ছেঁড়ে, আপনার ক্ষতি আপনি করে।
  • তাঁতীকুলও গেল, বৈষ্ণবকুলও গেল।
  • তাপ বাড়ে ঝোপে আর খেজুর বাড়ে কোপে।
  • তাল প্রমাণ বাড়ে, তিল প্রমাণ কমে।
  • তাল, তেঁতুল, মাদার, তিনে দেখায় আঁধার।
  • তালগাছের আড়াই হাত।
  • তালৈর চে পুতরা ভারি।
  • তাস, তামাক, পাশা, এ তিন কর্ম/সর্ব নাশা।
  • তিন জন জানে তো ত্রিশ জন জানে।
  • তিন নকলে আসল খাস্তা।
  • তিন মাথা যার, বুদ্ধি নেবে তার।
  • তিনকাল গিয়ে এককালে ঠেকা।
  • তিল কুড়িয়ে তাল।
  • তিলক কাটলেই বৈষ্ণব হয় না।
  • তিলকে তাল করা।
  • তীর্থের কাকের মতো বসে থাকা।
  • তীরে এসেও হাল ছেড়ো না।
  • তে হি নো দিবসা গতাঃ[সেই (সুখের) দিন চলে গেছে]।
  • তেল দাও, সিঁদুর দাও, ভবি ভোলবার নয়।
  • তেলা মাথায় ঢাল তেল, রুখু মাথায় ভাঙ্গ বেল।
  • তেলা মাথায় তেল দিতে সবাই পারে।
  • তেলাপোকা আবার পাখি, ভেরেণ্ডা আবার গাছ।
  • তেলে জলে মিশ খায় না।
  • তেলে জলেই মানুষের শরীর।
  • তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠা।
  • তোমারে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে।
  • তোর গোয়ালে মোর বিয়াইছে গাই সেই সুত্রে তালতো ভাই।
  • তোর শিল, তোর নোরা, তোরই ভাঙি দাঁতের গোড়া।

  • থলির মধ্যে হাতি পোরা।
  • থাক রে কুকুর আমার পাশে(মনের আশে), ভাত দেব সেই পৌষ মাসে।
  • থাকলে সোনার মান হয় না, হারালে সোনার মান।
  • থাকে যদি চুড়ো বাঁশি, মিলবে রাধা হেন কত দাসী।
  • থোড় বড়ি খাড়া, খাড়াবড়ি থোড়।
  • থোঁতা মুখ ভোঁতা।

  • দু‘ নৌকায় পা দিলে পড়বে শেষে অগাধ জলে।
  • দই খাবে মেধো, কড়ি দেবে সেধো।
  • দুই স্ত্রী যার, বড় দুখ তার।
  • দুই সতীনে ঘরকন্না, ঘরের গিন্নি ভাত পান না(গিন্নি=এখানে শাশুড়ি)।
  • দুই হাড়ি একত্র থাকলেই ঠোকাঠুকি।
  • দক্ষিণদ্বারী ঘরের রাজা, পূর্বদ্বারী তার প্রজা, পশ্চিমদ্বারীর মুখে ছাই, উত্তরদ্বারীর খাজনা নাই।
  • দুধ কলা দাও যত, সাপের বিষ বাড়ে ততো।
  • দুধ কলা দিয়ে সাপ পোষা।
  • দুধ মেরে ক্ষীরটুকু।
  • দুধকে দুধ জলকে জল।
  • দধির অগ্র ঘোলের শেষ।
  • দুধের স্বাদ কি ঘোলে মেটে।
  • দুধের সাধ(তৃষ্ণা) কি ঘোলে মেটে।
  • দুনিয়াদারি মুসাফিরি, সেরেফ আনাগোনা।
  • দু-নৌকায় পা।
  • দয়া আছে মায়া আছে, গলা ধরে কাঁদি;আধ পয়সায় আটটি কলা পরাণ গেলে না দি‘।
  • দয়া করে দেয় নুন, ভাত মারে তিনগুণ।
  • দরকার পড়লে খোঁড়াও লাফায়।
  • দুর্গা বলে ঝুলে পড়।
  • দুর্জনঃ প্রিয়বাদী চ নৈতদ্‌বিশ্বাসকারণম্; মধু তিষ্ঠতি জিহ্বাগ্রে হৃদয়ে তু হলাহলম।
  • দুর্জনেরে পরিহরি, দূরে থেকে নমস্কারি।
  • দুর্ভিক্ষ অল্পকাল স্মরণ থাকে চিরকাল।
  • দল ভাঙলে যে, কৈ খাবে সে(দল=জলজ তৃণস্তূপ)।
  • দশ দিন চোরের একদিন গেরস্থের।
  • দশচক্রে ভগবান ভূত।
  • দশপুত্র সম কন্যা যদি পাত্রে পড়ে।
  • দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।
  • দশে যারে বলে ছি, তার প্রাণে কাজ কি?
  • দশের মোড় গাছের মোড়।
  • দশের মুখে জয়, দশের মুখে ক্ষয়।
  • দশের লাঠি একের বোঝা।
  • দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।
  • দুষ্ট লোকের মিষ্ট কথা,ঘনিয়ে বসে পাশে, কথা দিয়ে কথা লয়, প্রাণে বধে শেষে।
  • দাঁ এর চেয়ে আছাড় বড়।
  • দাঁড়ালে পোয়া, বসলে ক্রোশ, পথ বলে মোর কিসের দোষ?
  • দাঁড়িকে মাঝি করা, মরা গাঙে ডুবে মরা।
  • দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝে না।
  • দাদারও চিঁড়ের ফলার।
  • দান যেমন দক্ষিণাও তেমন।
  • দারোগায় বলছে চাচি, আমি কি আর আছি!!!
  • দায়ে পড়লে শালগ্রামের পৈতা বেচেও খায়।
  • মিয়া বিবি রাজি তো কি করবে কাজি?
  • দায়ে পড়ে দা‘ঠাকুর।
  • দা‘-এ বালি, কুড়ুলে শিল, ভাল মানুষকে ভাল কথা বজ্জাতকে কিল। দারিদ্র্যদোষো গুণরাশিনাশী।
  • দিও কিঞ্চিৎ না কোরো বঞ্চিৎ।
  • দিন কাটে তো রাত কাটে না।
  • দিন গেল আলে ডালে, রাত হলে চেরাগ জ্বালে।
  • দিন যাবে রবে না।
  • দিন যায় তো ক্ষণ যায় না।
  • দিন যায়, কথা থাকে।
  • দিনগত পাপক্ষয়।
  • দিনে তারা দেখা।
  • দিনে বাতি যার ঘরে, তার ভিটায় ঘুঘু চরে।
  • দিল্লিকা লাড্ডু, যো খায়া সো পস্তায়া, যো ন খায়া সো ভি পস্তায়া।
  • দীয়তাং ভুজ্যতাম।
  • দেখ দেখ কর্ম শিখ শিখ ধর্ম।
  • দেখ্ তোর, না দেখ্ মোর।
  • দেখছি কত দেখব আর, ছুঁচোর গলায় চন্দ্রহার।
  • দেখতে পেলে শুনতে চায় না।
  • দেখব কত কালে কালে গোঁফ রেখেছে তোবড়া গালে।
  • দেখাদেখি চাষ, লাগালাগি বাস।
  • দেখে শেখে আর ঠেকে শেখে।
  • দেদোর মর্ম দেদোয় জানে(দুঃখী)।
  • দেব ধন, বুঝব মন, কেড়ে নিতে কতক্ষণ।
  • দেবতার বেলা লীলাখেলা, পাপ লিখেছে মানুষের বেলা।
  • দেবা ন জানন্তি কুতো মনুষ্যাঃ(নারীর মন অস্থিরমতি)।
  • দেয় থোয় রেখে মান তারে বলি যজমান।
  • দেশগুণে বেশ।
  • দেশে নাই যা, ছেলে চায় তা।
  • দেহের গুমর করো না ভাই এই আছে এই নাই।
  • দৈবজ্ঞ যদি বলে ঠিক তবে কেন মাগে ভিখ?
  • দোয়া গাইয়ে চাট সই।
  • দোষেগুণে সৃষ্টি, ঝড়ে জলে বৃষ্টি।

  • ধুকড়ির ভিতর খাসা চাল।
  • ধন জন যৌবন জোয়ারের জল কতক্ষণ?
  • ধন থাকলেই সিঁধের ভয়।
  • ধন নাই, কড়ি নাই নিধিরাম পোদ্দার।
  • ধন সোহাগী মরেন কুড়োর জাউ খেয়ে।
  • ধন, জন, পরিবার, কেহ নহে আপনার।
  • ধনীর চিন্তা ধন ধন, নিরেনব্বুইয়ের ধাক্কা, যোগীর চিন্তা জগন্নাথ,ফকিরের চিন্তা মক্কা।
  • ধনীর মাথায় ধর ছাতি, নির্ধনের মাথায় মার লাথি।
  • ধনে ধন দেখে, পুতে পুত দেখে।
  • ধনে সুখ নয়, মনে সুখ।
  • ধর কাছি তো ধরেই আছি।
  • ধরতে ছুঁতে কিছুই নেই।
  • ধর্ম হয় না করলেই উপাস।
  • ধর্মস্য সূক্ষ্মা গতিঃ।
  • ধর্মেণ হীনাঃ পশুভিঃ সমানাঃ।
  • ধর্মের কল বাতাসে(আপনি)নড়ে, পাপ করলে ধরা পড়ে।
  • ধর্মের ঢাক আপনি বাজে।
  • ধর্মের ভরা ভেসে উঠে, পাপের ভরা তল যায়।
  • ধর্মো রক্ষতি ধার্মিকম্।
  • ধরলে কোঁ কোঁ করে,ছেড়ে দিলে পাকসাট মারে[পাকসাট=পাখার ঝাপট, তথা আস্ফালন]।
  • ধরি মাছ না ছুঁই পানি।
  • ধরে আনতে বললে বেঁধে আনে।
  • ধুলো মুঠা ধরতে সোনা মুঠা হয়।
  • ধান একগুণ, ঘাস শতগুণ।
  • ধান খায় কাকে, ব্যাঙের পায়ে দড়ি।
  • ধান নাই চাল নাই, আন্দিরাম মহাজন।
  • ধান ভানতে শীবের গীত।
  • ধানের আগে উড়ি ফোলে[’উড়ি‘ একপ্রকার ধান]।
  • ধার করে খায়, হেঁট মাথায় যায়।
  • ধারে কাটে আর ভারে কাটে।
  • ধীর জ্বাল, ঘন কাটি, তবে বলি দুধ আউটি।
  • ধীর ধীর বোনে তাঁতি সকল জিনে।
  • ধীর পানি পাথর কাটে।
  • ধীরে রাঁধে ধীরে খায়, তবে খাওয়ার মজা পায়।
  • ধোঁয়া আর প্রেম চেপে রাখা যায় না

  • ন চ দৈবাৎ পরং বলম্।
  • ন দেবায়, ন ধর্মায়।
  • ন নিম্বো মধুরায়তে।
  • ন ভূতো, ন ভবিষ্যতি।
  • ন যযৌ, ন তস্থৌ।
  • ন স্ত্রী স্বাতন্ত্র্যমর্হতি। পিতা রক্ষতি কৌমারে, ভর্তা রক্ষতি যৌবনে ;পুত্রশ্চ স্থবিরে ভাবে, ন স্ত্রী স্বাতন্ত্র্যমর্হতি। নারী বাল্যে পিতার, যৌবনে ভর্তার এবং বার্ধক্যে পুত্রের অধীনে থাকিবেন। স্ত্রীগণের পক্ষে স্বাধীন হওয়া উচিত নয়। এখানে স্বাধীন বলতে যথেচ্ছাচারী বোঝাচ্ছে।
  • ন সন্তোষাৎ পরং সুখম্।
  • ন হি সুপ্তস্য সিংহস্য প্রবিশন্তি মুখে মৃগাঃ।
  • নই কাজ তো খই ভাজ।
  • নখে কাটে কচি কালে, ঝুনো হলে দাঁত না চলে।
  • নখের ছিদ্রে কুড়াল লাগানো।
  • নটে খেটে আড়াই মাস, সজনে ফলে বার মাস।
  • নড়তে পারে না কামান ঘাড়ে।
  • নুন ছাড়া ঘি মাটি
  • নূতন নূতন ন‘কড়া, পুরানো হলে ছ‘কড়া।
  • নদী শুকোলেও রেখা থাকে।
  • নদী, নারী, শৃঙ্গধারী_ এ তিনে না বিশ্বাস করি।
  • নদীকূলে বাস ভাবনা বারোমাস।
  • নদীর এক কূল ভাঙ্গে আর এক কূল গড়ে।
  • নদীর পানি ঘোলা ভালো, জাতের মেয়ে কালো।
  • নদীর মুখে বালির বাঁধ।
  • নুন আনতে পান্তা ফুরায়।
  • নুন খাই যার গুণ গাই তার।
  • ননদেরও ননদ আছে(ননদ, ননদিনী, ননদী=স্বামীর বোন, নন্দাই=ননদের স্বামী, ভাজ= ভ্রাতার পত্নী, ভ্রাতৃ জায়া। সব কটি মেয়েদের দিক থেকে সম্পর্ক)।
  • নবাব আর কি? নবাব খাঞ্জা খাঁ(মুর্শিদকুলি খাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী খান্ জাহান খান্)।
  • নয় মণ তেলও পুড়বে না, রাধাও নাচবে না।
  • ন্যাড়া ক‘বার বেলতলা যায়?
  • নরক তো গুলজার।
  • নরুনে তালগাছ কাটা।
  • নরম কাঠে ছুতোরের বল।
  • নরম মাটিতে বেড়াল আঁচড়ায়।
  • নরানাং মাতুলক্রমঃ।
  • নরের মন নারায়ণ জানেন।
  • না আঁচালে বিশ্বাস নেই।
  • না আছে আয়োজন, পাড়া ভরে নিমন্ত্রণ।
  • না খেলে যাবে দিন, ধার করলে হবে ঋণ।
  • না চাইতে ছাতাটা পাই, চাইলে বুঝি ঘোড়াটা পাব।
  • না দেখে চলে যায়, পায়ে পায়ে হোঁচট খায়।
  • না পড়েই পণ্ডিত।
  • না পাইয়া পাইছে ধন বাপে পুতে করে কিত্তন।
  • না বুঝে ছিলাম ভাল, আধেক বুঝে পরান গেল।
  • না বিয়িয়েই কানা‘য়ের মা।
  • না মরতেই ভূত?
  • নাই কাজ তো খই ভাজ।
  • নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল।
  • নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানো।
  • নাকে সরষের তেল দিয়ে ঘুমানো।
  • নাকের উপরে এক বিঘৎ আর এক হাত!
  • নাকের জলে চোখের জলে হওয়া।
  • নাকের বদলে নরুন।
  • নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা।
  • নাচতে নেমে ঘোমটা টানা।
  • নাচে ভাল পাক দেয় উল্টো।
  • নাড়া বনে কেত্তন।
  • নাতি-খাতি বেলা গেলু শুতি পারলাম না।
  • নাতির নাতি স্বর্গের বাতি।
  • নাদা পেটা হাঁদা রাম।
  • না-দেওয়া কাঁঠালের শাওনে পাক(না দিতে চাইলে কাঁঠাল শ্রাবণে পাকে)।
  • না-দেওয়ার চাল, আজ না কাল।
  • নানা মুনির নানা মত।
  • নাপিত দেখলে নখ বাড়ে।
  • নাপিতের আসি, ধোপার বাসি।
  • নাপিতের ষোল চোঙা বুদ্ধি।
  • নামে ডাকে গুরু মশাই,লেজা মুড়োর জ্ঞান নাই।
  • নামে তালপুকুর ঘটি ডোবে না।
  • নামে ধর্মদাস, ধর্মের নাম নেই।
  • নারীর বল চোখের জল।
  • নাস্তিকের মুখে ধর্ম কথা।
  • নাহংকারাৎ পরো রিপু।
  • নিকুলে চুকুলে ঘর, কামালে(গোঁফহীন পরিচ্ছন্ন হলে) বর।
  • নিকামায়ে(কামাই বা আয় করে না, কাজহীন) দর্জি ছেলের মুখ সেলাই করে।
  • নিজে বাচলে বাপের নাম।
  • নিজের কোলে ঝোল টানা।
  • নিজের চরকায় তেল দাও।
  • নিজের দই কেউ টক বলে না।
  • নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ।
  • নিজের পাঁটা যায় লেজে কাটা।
  • নিজের পায়ে কুড়ুল মারা।
  • নিজের পোলায় খায় কম।
  • নিজের ভাই ভাত পায় না শালীর তরে মণ্ডা।
  • নিত্য চাষির ঝি বেগুন ক্ষেত দেখে বলে এ আবার কি?
  • নিত্য ভিক্ষা তনু রক্ষা।
  • নিত্য রোগী দেখে কে, নিত্য নেই দেয় কে?
  • নিতে পারি খেতে পারি, দিতে পারি নে, বলতে পারি কইতে পারি, সইতে পারি নে।
  • নিদান কালে হরিনাম।
  • নিদানের বিধান নেই।
  • নিবৃত্তরাগস্য গৃহং তপোবনম্।
  • নিম তিত নিসিন্দে তিত,তিত মাকাল ফল;তার চেয়ে অধিক তিত বোন সতীনের ঘর।
  • নিম তিত, নিশিন্দে তিত, তিত মাকাল ফল, তার চেয়ে তিত কন্যে বোন সতীনের ঘর।
  • নিম তিত, নিসিন্দে তিত, তিত নিমের ফুল, তার চেয়ে তিত অধিক দুই সতীনের কুল।
  • নিম নিসিন্দে যেথা, মানুষ মরে না সেথা।
  • নিমক খেয়ে নিমক হারামি।
  • নিমতলা দিয়ে যাওনি, নিমফল খাওনি?
  • নিয়তিঃ কেন বাধ্যতে।
  • নির্গুণ পুরুষের ভোজন সার, করেন সদাই মার মার।
  • নির্গুণ পুরুষের তিনগুণ ঝাল।
  • নির্ধনের ধন হলে দিনে দেখে তারা।
  • নির্ধনের ধন, অথর্বের যৌবন।
  • নীচ যদি উচ্চভাষে, সুবুদ্ধি উড়ায় হেসে।
  • নীরোগ শরীর যার বৈদ্যে করবে কি; পরের ভাতে বেগুন পোড়া, পান্তা ভাতে ঘি।
  • নুন আনতে পান্তা ফুরায়।
  • নুন খাই যার গুন গাই তার ।
  • নেই নাক তার গোঁফের বাহার।
  • নেই-মামার চেয়ে কানা মামা ভালো।
  • নেকা আদুরে চালশে কানা, জল বলে খায় চিনির পানা।
  • নেকা, বোকা, ঢিলে কাছা, তিনে প্রত্যয় করো না বাছা।
  • নেঙটা নেই বাটপারের ভয়।
  • নেড়া আর কি বেলতলায় যায়?
  • নেবু কচলাবে যত, হবে তেত ততো।
  • নেবার কুটুম দেবার নয়।
  • নেবার বেলায় পরিপাটি, দেবার বেলায় ফাটাফাটি।
  • নেভবার আগে ক্ষণেক তরে, দীপ জ্বলে দপ করে।
  • নেয়ের এক নাও, নিনেয়ের(যার নৌকো নেই) শতেক নাও।
  • নেশাতে বুক ফাটে, কুকুরে মুখ চাটে।
  • নেংটার নাই চোরের ভয়।
  • ন্যাড়া বেলতলায় একবারেই যায়।

  • পুকুর চুরি।
  • পচা আদা, ঝালের গাদা/পচা আদায় ঝাল বেশি।
  • পচা শামুকে পা কাটে।
  • পরের পোলা মোটাই থাকে।
  • পূজায় মন নেই নৈবিদ্যে চোখ।
  • পূজার সঙ্গে খোঁজ নেই, কপাল জোড়া ফোঁটা।
  • পুঁজি নেই তার পাঁজি আছে।
  • পুঁজি ভেঙে খেতে ভাল, ভেটেন[ভাঁটি] গাঙে যেতে ভাল।
  • পট্টবস্ত্রে গুঞ্জফল মূল্য নাহি হয়, ছিন্ন বস্ত্রে মোতির মূল্য নাহি হয় ক্ষয় [গুঞ্জফল=কুঁচ]।
  • পুঁটি মাছের প্রাণ দেখতে দেখতে যান[অতি দুর্বল প্রাণ]।
  • পড়ুক না পড়ুক পো‘ সভায় নে‘ গে‘ থো।
  • পড়ল কথা সভার মাঝে, যার কথা তার গায়ে বাজে।
  • পড়শী না বঁড়শি।
  • পড়শীর মুখ না আরশির মুখ।
  • পড়িলে ভেড়ার শৃঙ্গে ভাঙ্গে হিরার ধার।
  • পড়ে গেলে ছাগলেও চাট মারে।
  • পুড়ে ঝুড়ে রাঁধুনি, ছিঁড়ে ছুঁড়ে কাটুনী।
  • পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা।
  • পড়ে পাওয়া টাকা, ষোল আনাই লাভ।
  • পড়েছি তাফালে, যা থাকে কপালে[তাফাল=গুড় তৈরির উনুন]।
  • পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথে।
  • পতির পায়ে থাকে মতি তবে তারে বলে সতী।
  • পতির মরণে সতীর মরণ।
  • পথ চলবে জেনে, কড়ি নেবে গুণে।
  • পথে পাইছ কামার , দাও ধারানি আমার।
  • পথি নারী বিবর্জিতা [পথের অপরিচিতা নারী দুর্জ্ঞেয়]।
  • পথে পেলাম কামার, দা গড়ে দে আমার।
  • পুনর্মূষিকো ভব।
  • পুবে হাঁস, পশ্চিমে বাঁশ; উত্তরে কলা, দক্ষিণে খোলা।
  • পর কখনও আপন হয় না।
  • পর তরফে খায় ঘি, তার আবার খরচ কি?
  • প্রদীপের কোলেই অন্ধকার/চেরাগের নীচেই অন্ধকার।
  • পরপ্রত্যাশী, দু‘পহর উপোসী।
  • পর্বতের মুষিক প্রসব।
  • পুরুষের দশ দশা, কখনও হাতি কখনও মশা।
  • পরহস্তং গতা গতা। লেখনী পুস্তিকা জায়া পরহস্তং গতা গতা;যদি মা পুনরায়াতি ভ্রষ্টা নষ্টা চ মর্দিতা।
  • পরহস্তগতং ধনম্। পুস্তকস্থ তু যা বিদ্যা পরহস্তগতং ধনম্;কার্যকালে সমুৎপন্নে ন সা বিদ্যা ন তদ্ধনম।
  • প্রহারেণ ধনঞ্জয়।
  • প্রাণ বড় না মান বড়?
  • পুরান পাগলের ভাত নাই, নতুন পাগলের আমদানি।
  • পুরানো চাল ভাতে বাড়ে, পুরানো ঘিয়ে মাথা ঘাড়ে।
  • পুরানো বসন ভাতি, অবলাজনের জাতি।
  • পরিতে হইবে শাঁখা তবে কেন মুই বাঁকা?
  • পরের কথায় লাথি চাপড়, নিজের কথায় ভাত কাপড়[পরচর্চা না করে নিজের কাজে মন দাও গে।
  • পরের ঘরে খায় দায়, আঠারো মাসে বছর যায়।
  • পরের ঘাড়ে বন্দুক রেখে শিকার করা।
  • পরের ঘি পেলে, প্রদীপ দেয় দুয়ারে মেলে।
  • পরের ঘোল খাবার লোভে নিজের গোঁফ কামানো।
  • পরের চাল,পরের ডাল, নদে করেন বিয়ে।
  • পরের ছেলে খায় এতটা, বেড়ায় যেন বাঁদরটা;নিজের ছেলেটি খায় এতটি, বেড়ায় যেন লাটিমটি।
  • পরের জন্য গর্ত খোঁড়ে, আপনি তাতে পড়ে মরে।
  • পরের জন্য ফাঁদ পাতে, আপনি পড়ে মরে তাতে।
  • পরের দুধে দিয়ে ফুঁ, পুড়িয়ে এলেন নিজের মু(মুখ)।
  • পরের দেখে তোল হাই, যা আছে তাও নাই।
  • পরের ধনে পোদ্দারি লোকে বলে লক্ষ্মীশ্বরী।
  • পরের ধনে বরের বাপ।
  • পরের পুতে বরের বাপ।
  • পরের পিঠে বড় মিঠে।
  • পরের ভাতে কুকুর পোষা।
  • পরের মুখে ঝাল খাওয়া।
  • পরের মন আঁধার কোণ।
  • পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা।
  • পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙে নিজের গোঁফে তেল।
  • পরের মাথায় দিয়ে হাত, কিরা করে নির্ঘাত।
  • পরের মাথায় হাত বুলানো।
  • পরের লেজে পড়লে পা তুলো পানা ঠেকে, নিজের লেজে পড়লে পা ক্যাঁক করে ওঠে।
  • পরের সোনা দিও না কানে, কেড়ে নেবে হেচকা টানে।
  • পরের হাতে ধন পেতে অনেক ক্ষণ।
  • পা না ভিজল যার বড় কৈ(মাছ) তার।
  • পাকা ঘুঁটি কাঁচানো।
  • পাকা ধানে মই দেওয়া।
  • পাখি পড়ানোর মতো পড়ানো।
  • পাখির প্রাণ অল্পেই যান।
  • পাগল কি গাছে ফলে, আক্কেলেতে পাগল বলে।
  • পাগলা ভাত খাবি, না হাত ধোব কোথায়?
  • পাগলা সাঁকো নাড়িস নে, ভাল মনে করে দিয়েছিস।
  • পাগলা নাও ঝুলাইস না।–ক্যা।–আমি বাতায় খাড়া।
  • পাগলে কি না কয়! ছাগলে কি না খায়!
  • পাগলের গোবধে আনন্দ [গো বধ মহাপাপ]।
  • পাঁচ দিন চোরের এক দিন সাধুর।
  • পাঁচ পাগলের ঘর, খোদায় রক্ষা কর।
  • পাঁচ শ‘ জুতো গুণে খায়, ফুলের ঘায়ে মুচ্ছো যায়।
  • পাঁঠার ইচ্ছেয় ঘাড়ে কোপ।
  • পাতা চাপা কপাল, আর পাথর চাপা কপাল।
  • পাতের ভাত কেড়ে নাওয়া।
  • পাতের ভাতে পুষলাম যুগী, উলটে বলে পরবাস কি?
  • পাতের ভাতে পালে কুকুর, কুকুর ওঠে মাথার উপুর।
  • পাথরে ঘুণ ধরে না।
  • পাথরে পাঁচ কিল।
  • পাথরে লেখা মুছলেও যায় না।
  • পান পান্তা ভক্ষণ, ঐ তো পুরুষের লক্ষণ; আমি অভাগী তপ্ত খাই, কোন দিন বা মরে যাই।
  • পান সাজতে জানে না, দু পায়ে আলতা।
  • পান হতে চুন খসে না।
  • পান্তা ভাত ফুঁ দিয়ে খাওয়া।
  • পান্তা ভাতে নুন জোটে না, বেগুন পোড়ায় ঘি।
  • পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায়/উৎপাতের কড়ি চিৎপাতে যায়।
  • পায়ের কাজ[লাথি] কি হাতে হয়?
  • পার হ‘লে পাটনি শালা।
  • পারা(পারদ) আর পাপে কার সাধ্য চাপে।
  • পালাতে না পেরে মোড়লের বেহাই।
  • পি পু ফি শু/ কত রবি জ্বলে রে, কে বা আঁখি মেলে রে।
  • পিঠা খায় মিঠার জোরে, হাত নাড়ে নানীর[=পিতামহী] জোরে।
  • পিঠে বেঁধেছি কুলো, কানে দিয়েছি তুলো।
  • পিতল সরা জাঁকে ভরা।
  • পিতলের কাটারি, কাজে নেই ধার, ঝকমকই সার।
  • পিন্ডি পায় না, কেত্তন চায়।
  • পিপীলিকার পাখা ওঠে মরিবার তরে।
  • পিসি বলো মাসি বলো, মার বাড়া নাই; পিঠে বলো মিঠা বল, ভাতের বাড়া নাই।
  • পেট জ্বলে ভাতের তরে, সোনার আংটি হাতে পরে।
  • পেট মোটা হইলেই চেয়ারম্যান হয় না।
  • পেটে খেলে পিঠে সয়, মরা পেটে বড় ভয়।
  • পেটে নাই গু, জিলাপী হাগনের সখ হইছে!!
  • পেটের আগুনে বেগুন পোড়ে।
  • পেটের বাছা বাড়ির গাছা[গাছ]।
  • পেঁয়াজও গেল, পয়জারও হল/পেঁয়াজ পয়জার দুই হল।
  • পৈতা পুড়িয়ে সন্ন্যাসী/ব্রহ্মচারী।
  • পোড়া কপালে সুখ নাই, বিয়ে বাড়িতে ভাত নাই।
  • পোলা হওয়ার খবর নাই- হাজামের লগে দোস্তি।
  • পোলার বুদ্ধি গলায়।
  • পোষের শীত মোষের গায়, মাঘের শীত বাঘের গায়।
  • প্রেমের মরা জলে ডুবে না

  • ফকিরে ফকিরে ভাই ভাই, ফকিরের রাজত্ব সব ঠাঁই।
  • ফুটনির মামা, ভিতরে ক্লেদ, উপরে জামা।
  • ফরসা কাপড়ে মান বাড়ে।
  • ফুরালো বাগানের আম কি খাবিরে হনুমান?
  • ফুললো আর মলো।
  • ফলেন পরিচীয়তে।
  • ফুলের ঘায়ে মুচ্ছো যায়।
  • ফুলের শোভা ভোমরা, গাই-এর শোভা চামড়া।
  • ফাঁক পেলে সবাই চোর।
  • ফোঁপরা ঢেঁকির শব্দ বেশি।
  • ফাগুনে আগুন, চৈতে মাটি, বাঁশ রেখে বাঁশের পিতামহকে কাটি।
  • ফ্যান দিয়ে ভাত খায়, গল্পে মারে দই, মেটে হুঁকোয় তামাক খায়, গুড়গুড়িটা কই?
  • ফেল কড়ি মাখ তেল তুমি কি আমার পর?
  • ফোতো বাবুর গালগল্প সার।

  • বউ উঠতে ঠাঁই পায় না, উঠান জোড়া দাসী।
  • বউ কয় না হড়ি (শাশুড়ী)…টিলিক পাইরা মরি।
  • বউ জব্দ শিলে, ঝি জব্দ কিলে, পাড়াপড়শী জব্দ হয় চোখে আঙুল দিলে।
  • বউ ভাঙলে সরা গেল পাড়া পাড়া, গিন্নি ভাঙলে নাদা [কলসি], ও কিছু নায় দাদা।
  • বউ-এর রাগ বিড়ালের উপর, বিড়ালের রাগ বেড়ার উপর।
  • বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না।
  • বকঃ পরমধার্মিকঃ/ বক ধার্মিক।
  • বুকে ব‘সে দাড়ি ওপড়ানো।
  • বগলে কাস্তে দেশময় খোঁজে।
  • বগলে ছুরি মুখে রাম নাম।
  • বচনে জগৎ তুষ্ট, বচনে জগৎ রুষ্ট।
  • বজ্র আঁটুনি ফস্‌কা গেরো।
  • বজ্রাদপি কঠোরাণি মৃদুনি কুসুমাদপি। বজ্রাদপি কঠোরাণি মৃদুনি কুসুমাদপি, লোকোত্তরাণাং চেতাংসি কোহি বিজ্ঞাতুমীশ্বরঃ।
  • বুঝতে পারি সেকরার ঠার, বলে এক করে আর।
  • বড় গাছেই ঝড় লাগে।
  • বড় গাছের তলায় বাস, ডাল ভাঙলেই সর্বনাশ।
  • বড় ঘর বড় কথা, গরিবের ছেঁড়া কাঁথা।
  • বড় ঘর বড় কথা, বললে কাটা যায় মাথা।
  • বড় বড় বানরের বড় বড় পেট লংকায় যেতে তারা মাথা করে হেঁট।
  • বড় বিয়ে তার দুপায়ে আলতা।
  • বড় লোকের আঁস্তাকুড়ও ভালো।
  • বড় মুখ ছোট হওয়া।
  • বড় মাছের কাঁটা আর ঘন দুধের ফোঁটা।
  • বড় হবে তো ছোট হও।
  • বড়র পিরিতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণে চাঁদ।
  • বড়র বড় গুন- শুয়ে ঘাস খায়, গায়ের গুমানে ছাগল লরলরি বায়।
  • মড়া মেরে খুনের দায়।
  • বুড়ো শালিক পোষ মানে না।
  • বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।
  • বুড়ো হল বক চেনে না।
  • বুদ্ধিগুণে হা ভাত, বুদ্ধিগুণে খা ভাত।
  • বৃদ্ধস্য বচনং গ্রাহ্যমাপৎকালে হ্যপস্থিতে।
  • বন পোড়ে সবাই দেখে, মন পোড়ে কেউ না দেখে।
  • বনগাঁয়ে শেয়াল রাজা।
  • বন্ধ্যা নারীর অন্ধ পুত্র চাঁদ দেখতে পায়।
  • বন্ধ্যা নারীর পুত্র শোক।
  • বনের রক্ষক বাঘ, বাঘের রক্ষক বন।
  • বুনলাম ধান, হল তিল, ফলল রুদ্রাক্ষ, খেলাম কিল।
  • বয়সে চুল পাকে, কিন্তু বুদ্ধি পাকে না।
  • বরকনের দেখা নেই বুধবারে বিয়ে।
  • বরমেকোগুণীপুত্রো ন চ মুখ শতান্যপি;একশ্চন্দ্রস্তমো হন্তি ন চ তারাগণা অপি।
  • বর্ষণ নেই গর্জন সার।
  • বরের ঘরের মাসি, কনের ঘরের পিসি।
  • বল বুদ্ধি ভরসা, তিন তিরিশে ফরসা।
  • বল মা তারা দাঁড়াই কোথা?
  • বলা সহজ, করা কঠিন।
  • বলীর ঘাম, নির্বলীর ঘুম।
  • বলে দুধ, বেচে ঘোল।
  • বসতে জায়গা পেলে, শোবার জায়গা মেলে।
  • বসতে পেলে শুতে চায়।
  • বসুধৈব কুটুম্বকম্।
  • বসে খেলে কুলোয় না, করে খেলে ফুরোয় না।
  • বসে না থাকি বেগার খাটি।
  • বসে বসে লেজ নাড়া।
  • বহু সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
  • বহ্বারম্ভে লঘু ক্রিয়া।
  • বাইরে হাশিখুশি ভিতরে গরল রাশি।
  • বাউলের ঘরে গরু।
  • বাঘ-ভালুকের রাজ্যে থাকি মনের কথা মনেই রাখি।
  • বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা।
  • বাঘে বলদে এক ঘাটে জল খায়।
  • বাঘে সিংহে যুদ্ধ হয়, উলু খাগড়ার প্রাণ যায়।
  • বাঘের আবার গোবধ[অর্থাৎ গো বধ করে পাপ!]।
  • বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা।
  • বাঘের দেখা সাপের লেখা।
  • বাঘের যোগ্য বাঘিনী
  • বাঘেরও চক্ষু লজ্জা আছে।
  • বাঁচলে কত দেখব আর, ছুঁচোর গলায় চন্দ্রহার;বিড়ালের কপালে টিকে, বাঁদর বেড়ায় হলুদ মেখে।
  • বাছার আমার এত বাড়, ছ‘আনার কাপড়ে ন‘আনার পাড়।
  • বাজাতে বাজাতে বাইন, গাইতে গাইতে গাইন।
  • বাড়িতে পায় না শাক সজিনা, ডাক দিয়ে বলে ঘি আন না।
  • বাড়ির গরু কোলার ঘাস খায় না।
  • বাড়ির মধ্যে এক ঘর, তার আবার সদর অন্দর।
  • বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মীস্তদর্ধং কৃষি-কর্মণি;তদর্ধং রাজসেবায়াৎ ভিক্ষায়াৎ নৈব নৈব চ।
  • বানরের গলায় মুক্তার মালা।
  • বাপ জানে না, মা জানে না, হোগল বনে বিয়ে।
  • বাপ না গোতে, চোঙ্গায় চোঙ্গায় মোতে।
  • বাপকা বেটা সিপাই কা ঘোড়া, কুছ নেহি তো থোড়া থোড়া।
  • বাপের জন্মে (কালে) চড়িনি ডুলি, ভেঙে গেল মোর পাছার খুলি, নামা ডুলি নামা ডুলি।
  • বাপের জন্মে নেইকো চাষ, ধানকে বলে দুব্বো ঘাস।
  • বাপের নাম কুদ্দুস- পোলায় করে দুধ রোজ।
  • বাবু মরেন শীতে আর ভাতে।
  • বাবা পেটে, মা হাটে, আমি তখন বছর আটে।
  • বাবার কালে নেইকো গাই, চালুনি নিয়ে দুইতে যাই।
  • বাবার কালে ছিল না গাই- চালন খান দোহাই খাই।
  • বাবারও বাবা আছে।
  • বামুন গেল ঘর তো লাঙল তুলে ধর।
  • বামন হয়ে চাঁদে হাত।
  • বামুনের গরু খায় অল্প, নাদে বেশি, দুধ দেয় কলসি কলসি।
  • বামুনের ভাতে থাকা(কম পরিশ্রম)।
  • বার কাঁদি নারিকেল, তের কাঁদি কলা;আজ আমাদের রানির উপোসের পালা। বারটা ঝাড়লুম তেরটা ম‘ল, তুই না মরে অপযশ হল(হাতুড়ে চিকিৎসক)।
  • বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান, এইবার তোমার আমি বধিব পরাণ।
  • বার মাসে তের পার্বণ।
  • বার রাজপুতের তের হাঁড়ি,কেউ খায় না কারও বাড়ি।
  • বার হাত কাঁকুড়ের তের হাত বিচি।
  • বাঁশ বনে ডোম কানা(সিদ্ধান্ত নিতে পারে না)।
  • বাঁশ মরে ফুলে, মানুষ মরে ভুলে।
  • বাঁশি হারিয়ে শিঙায় ফুঁ।
  • বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়।
  • বাঁশের চেয়ে কঞ্চি মোটা।
  • বাহিরে কেঁচোর পত্তন ভিতরে ছুঁচোর কীর্তন।
  • বিচার মানি তালগাছ আমার।
  • বিড়ালের ভাগ্যে শিকে ছেঁড়া।
  • বিলাইর মুতে আছার খাওয়া।
  • বিদ্বান্ সর্বত্র পূজ্যতে।
  • বিদ্যা দদাতি বিনয়ম্।
  • বিদ্যারত্নং মহাধনম্। জ্ঞাতিভির্বণ্ট্যতে নৈব, চৌরেণাপি ন নিয়তে;দানেন ন ক্ষয়ং যাতি বিদ্যারত্নং মহাধনম্।
  • বিধি যদি বিপরীত, কেবা করে তার হিত।
  • বিধির লিখন না যায় খণ্ডন।
  • বিন্দু বিন্দু বৃষ্টি পুকুরের সৃষ্টি।
  • বিনা দানে মথুরা পার।
  • বিনা মেঘে বজ্রাঘাত।
  • বিপদ কখনও একা আসে না।
  • বিপদে শিবের গোঁড়া, সম্পদে শিব তো নোড়া।
  • বিমাতা বিষের ঘর।
  • বিয়ে ফুরুলে ছাঁদলায় লাথি।
  • বিয়ে ফুরুলে বাজনা, কিস্তি ফুরুলে খাজনা।
  • বিলম্বে কার্য সিদ্ধি।
  • বিশ্বকর্মা কত কারিগর তা জগন্নাথেই প্রকাশ।
  • বিশ্বাসে মিলায় বস্তু(কৃষ্ণ) তর্কে বহু দূর।
  • বিশ্বাসো নৈব কর্তব্যঃ স্ত্রীষু রাজকুলেষু চ।
  • বিষ খেয়ে বিশ্বম্ভর।
  • বিষ নেই কুলোপানা চক্কর।
  • বিষকুম্ভং পয়োমুখম্। পরোক্ষে কার্য-হন্তারং প্রত্যক্ষে প্রিয়বাদিনম্; বর্জয়েৎ তাদৃশং বন্ধুং বিষকুম্ভং পয়োমুখম্।
  • বিষবৃক্ষোঽপি সংবর্ধ্য স্বয়ং ছেত্তুমসাম্প্রতম্।
  • বিষে বিষ ক্ষয়।
  • বে-আক্কেলে কয় সংসার আমার নয়।
  • বেকারের চেয়ে বেগার ভাল।
  • বেগুন গাছে আঁকশি।
  • বেগারের দৌলতে গঙ্গাস্নান।
  • বেচা গরুর চর্বি বেশি।
  • ব্যাঙ বলে সাপকে_ কারও কড়ি ধারি না[নিষ্ফল আস্ফালন]।
  • ব্যাঙের আবার সদির্‍?
  • ব্যাঙের নাকে মিনের নোলক।
  • ব্যাঙের মাথায় ছাতি।
  • বেদেয় চেনে সাপের হাঁচি।
  • বেদের মরণ সাপের হাতে।
  • বেঁধে মারে সয় ভাল।
  • বেনা বনে মুক্তা ছড়ানো।
  • বেনের কাছে মেকি চালানো।
  • বেনো জল ঢুকিয়ে খরো‘ জল বের করা।
  • বেল কুড়িয়ে রাঈ।
  • বেল পাকলে কাকের কি?
  • বেহায়ার নাহি লাজ, নাহি অপমান;সুজনকে এক কথা মরণ সমান।
  • বৈষ্ণব হইতে বড় হয়েছিল সাধ, তৃণাদপি শুনে মনে লেগে গেছে তাক।
  • বোঝার উপরে শাকের আঁটি।
  • বৌ না বোবা, বৌ না বাবা।
  • বৃক্ষ তোমার নাম কি?- ফলে পরিচয়।

  • ভক্তিহীন ভজন আর লবণহীন ব্যঞ্জন।
  • ভগবানের মার দুনিয়ার বার।
  • ভজনের সঙ্গে খোঁজ নেই, ভোজন ছত্রিশ জাতে।
  • ভূতের আবার গঙ্গাস্নান।
  • ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ।
  • ভূতের বেগার খাটা।
  • ভূতের বোঝা বওয়া।
  • ভূতের মুখে রাম নাম।
  • ভবি ভোলবার নয়।
  • ভবিতব্যং ভবত্যেব।
  • ভবের খেলা সাঙ্গ হল।
  • ভরাডুবির মুঠা লাভ।
  • ভস্মে ঘি ঢালা।
  • ভাই বড় ধন রক্তের বাধঁন পৃথক যদি হয় নারীর কারন ।
  • ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই।
  • ভাগ্যং ফলতি সর্বত্র, ন চ বিদ্যা ন পৌরুষম্।
  • ভাগ্যবানের বোঝা ভগবানে বয়।
  • ভাগাড়ে মড়া পড়ে, শকুনির টাক নড়ে।
  • ভাগের ভাগ পেলে, না খেয়েও চিবিয়ে ফেলে।
  • ভাগের মা গঙ্গা পায় না।
  • ভাঙ্গবে তবু মচকাবে না।
  • ভাঙ্গা ঘরে জোছনার আলো, যে দিন যায় সে দিন ভালো।
  • ভাঙ্গা ঘরে বাস ভাবনা বারো মাস।
  • ভাঙ্গা ঘরে ভূতের বাসা।
  • ভাঙ্গা পা খানায় পড়ে।
  • ভাজা মাছ উলটে খেতে জানে না।
  • ভাঁড়ে নেই ঘি, ঠকঠকালে হবে কি?
  • ভাত কখনও পেট খোঁজে না।
  • ভাত কাপড়ের কেউ নয়, কিল মারার গোঁসাই।
  • ভাত খাই কাঁসি বাজাই, রগড়ের ধার ধারি না।
  • ভাত খাইতে বাসন নাই, থালের গড়াগড়ি।
  • ভাত খাও ভাতারের, গুণ গাও নাঙ্গের।
  • ভাত ছড়ালে কাকের অভাব নেই।
  • ভাত ছড়ালে কাকের অভাব?
  • ভাত জোটে না- দুধ রোজ।
  • ভাত দেবার ভাতার নয়, কিল মারার গোঁসাই।
  • ভাত পায় না কুঁড়ের নাগর, আমানি খেয়ে পেটটা ডাগর।
  • ভাত পায় না চা খায়, হোন্ডা নিয়া হাগতে যায়।
  • ভাত পায় না- ছালুন ছালুন করে।
  • ভাত রোচে না, রোচে মোয়া, মণ্ড রোচে পোয়া পোয়া।
  • ভাতও ভালো , চিড়াও মন্দ না।
  • ভাতের খিদে কি অন্য কিছুতে মেটে।
  • ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা যখন।
  • ভাবে ডগমগ তেলাকুচো, হেসে ম‘লো রে ভুঁই-ছুঁচো।
  • ভাল করতে পারি না, মন্দ করতে পারি।
  • ভাল লোকের কিল চুরি।
  • ভালুক চেনে শালুক ফুল
  • ভিক্ষা চাইনা মা তোর কুত্তা সামলা।
  • ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া।
  • ভিক্ষুকের এক দোর বন্ধ, শত দোর খোলা।
  • ভিক্ষায়াৎ নৈব নৈব চ।
  • ভিন্নরুচির্হি লোকাঃ।
  • ভীষ্ম,দ্রোণ,কর্ণ গেল শল্য হল রথী, চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল জোনাকির পাছে বাতি।
  • ভূত দিয়ে ভূত ছাড়ানো।
  • ভেক না নিলে ভিখ মেলে না।
  • ভেরেণ্ডাও বৃক্ষ।
  • ভেড়ার গোয়ালে বাছুর মোড়ল।
  • ভেলায় সাগর পার।
  • ভোজনং যত্র কুত্রাপি শয়নং হট্ট মন্দিরে;মরণং গোমতীতীরেঽপরং বা কিং ভবিষ্যতি।

  • মক্কার মানুষ হজ্ব পায়না।
  • মুখ না থাকলে শেয়ালে খেত।
  • মুখ পুড়িয়ে লঙ্কায় আগুন।
  • মুখচোরা বামুন, কেশোরোগী চোর।
  • মুখটি যেন ভাজার খোলা, খই ফুটছে ফোলা ফোলা।
  • মুখে খুব মিঠে, নিম নিসিন্দে পেটে।
  • মুখে মধু হৃদে ক্ষুর, সেইত হয় বিষম ক্রূর।
  • মুখে রামনাম বগলে ছুরি।
  • মুখেন মারিতং জগৎ।
  • মুখের চোটে গগন ফাটে।
  • মঘা, এড়াবি ক‘ ঘা?
  • মুচি হয়ে শুচি হয় যদি হরি ভজে, শুচি হয়ে মুচি হয় যদি হরি ত্যজে।
  • মুচির নাই নাক (চামড়ার গন্ধ), শুঁড়ির নাই কান(মাতালের কদর্য উক্তি)।
  • মটরের চাপে মুসুরি চেপ্টা।
  • মুড়া কোদালে দিঘি কাটা।
  • মড়া মেরে খুনের দায়।
  • মড়ার উপরে খাড়ার ঘা।
  • মুড়ি মিছরির এক দর।
  • মুড়ি[মাথা] আর ভুঁড়ি সকল রোগের গুঁড়ি।
  • মুণ্ডমালার দাঁত কপাটি সার।
  • মদ খায় না, মদে খায়?
  • মদ্দ বড় তেজী, ধরবেন বনের বেজি।
  • মধুপান করতে পারি, মাছির কামড় সইতে নারি।
  • মধ্বভাবে গুড়ং দদ্যাৎ।
  • মধুরেণ সমাপয়েৎ।
  • মন চায় বাদশা হতে, খোদার দোয়া মেগে খেতে।
  • মন ভাল নয় তীর্থ করে, মিছে কাজে ঘুরে মরে।
  • মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
  • মনবো ঠাকুর দেব না, আমার পিত্যেশ কোরো না।
  • মনিব গেলে ঘোল পায় না, বিশেকে পাঠায় দুধের তরে।
  • মুনীনাঞ্চ মতিভ্রমঃ।
  • মনে বড় সাধ, চড়ব বাঘের কাঁধ।
  • মনে মনে লঙ্কা ভাগ।
  • ময়না টিয়ে উড়িয়ে দিয়ে খাঁচায় পোষে কাক।
  • ময়রার ছেলে গুড় খায় না।
  • মূর্খ লোকে কেনে বই, জ্ঞানবানে পড়ে;ধনবানে কেনে ঘোড়া,বুদ্ধিমানে চড়ে। মূর্খস্য নাস্ত্যৌষধম।
  • মরণকালে হরিনাম।
  • মরণের বাড়া গাল নাই।
  • মরবে মেয়ে উড়বে ছাই, তবে মেয়ের গুণ গাই।
  • মরা কাকের আবার মড়কের ভয়?
  • মরা মালঞ্চে ফুটল ফুল, টাকে আবার উঠল চুল।
  • মরি তাহে খেদ নাই, কাঁটা বন দিয়ে না টানে।
  • মূলা চোরের ফাঁসি।
  • মূলে নেই লক্ষ্মী পূজো, একেবারে দশভুজো।
  • মশা মারতে কামান দাগা।
  • মশা মেরে হাত কাল।
  • মশালচী আপনি কানা।
  • মশালের কাছে চেরাগের আলো।
  • মহাজনো যেন গতঃ স পন্থাঃ।
  • মা কুরু ধনজনযৌবনগর্বম্।
  • মা ডাকলে খেলাম না, বাবা ডাকলে খেলাম না, সাত পুরুষের ঢেঁকি বলে, পান্তা খা, পান্তা খা।
  • মা পায় না কাঁথা-সেলাইয়ের সুতো, ব্যাটার পায়ে চৌদ্দ সিকের জুতো।
  • মা বলেছে আমার নাকি মাথা ধরেছে।
  • মা লক্ষ্মী ভিক্ষা মাগে।
  • মাইরের উপর ওষুধ নাই।
  • মাইরের নাম বাবাজী।
  • মা’র জ্বলে না- মাসীর জ্বলে!
  • মা’র থেকে যার দরদ বেশী – সে হইল ডাইনী।
  • মা’র পরনে ছেড়া ত্যানা পুতে করে বাবু আনা
  • মা‘য় কয় খা, বাপে কয় ল্যাখ, নামটি আমার আবদুল খালেক।
  • মাছের কাঁটা গলায় বাঁধলে বিড়ালের পায়ে গড়।
  • মাছের তেলে মাছ ভাজা।
  • মাছের মায়ের পুত্রশোক।
  • মাতৃবৎ পরদারেষু পরদ্রব্যেষু লোষ্ট্রবৎ; আত্মবৎ সর্বভূতেষু যঃ পশ্যতি স পণ্ডিতঃ।
  • মাতা শত্রুঃ পিতা বৈরী, যেন বালো ন পাঠিতঃ।
  • মাথা নেই তার মাথা ব্যথা।
  • মাথায় লাথি মেরে পায়ে গড়।
  • মাথার ঘায়ে কুকুর পাগল।
  • মানুষ গড়ে, বিধাতা ভাঙে।
  • মানুষে মানুষ চেনে, শুয়োরে চেনে কচু।
  • মামা কানা আমি চোখে দেখিনে।
  • মায়ের গলায় দিয়ে দড়ি, বউকে পরাই ঢাকাই শাড়ি।
  • মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি।
  • মায়ের চেয়ে দরদ বেশি তারে বলি ডান।
  • মায়ের পোড়ে না মাসির পোড়ে, পাড়া পড়শীর কেতন ওড়ে।
  • মারি তো গণ্ডার, লুটি তো ভাণ্ডার।
  • মারের চোটে ভূত পালায়।
  • মারো আর ধরো পিঠে দিয়েছি কুলো, বকো আর ঝকো কানে দিয়েছি তুলো।
  • মিছরির ছুরি।
  • মিছে কর আম্বা, যা করেন জগদম্বা।
  • মিষ্টান্নমিতরে জনাঃ।(বিবাহকালে) কন্যা কাময়তে রূপং, মাতা বিত্তং, পিতা শ্রুতম্[বিদ্যা];বান্ধবাঃ কুলমিচ্ছন্তি, মিষ্টান্নমিতরে জনাঃ।
  • মিষ্টি কথায় চিঁড়ে ভেজে না।
  • মেও ধরবে কে?
  • মেগে এনে বিলিয়ে খায় হাতে হাতে স্বর্গ পায়।
  • মেঘ না চাইতেই জল।
  • মেজে ঘষে হল ক্ষয়, কালো কি তবু ধলো হয়।
  • মেয়েদের শ্বশুর বাড়ি বলে কিছু নেই, সেটাই তার বাড়ি; বাপের বাড়ি বেরু বাড়ি।
  • মেয়ের মায়ের পাঁচটা প্রাণ।
  • মেরে তুলোধোনা করা।
  • মোগল পাঠান হদ্দ হল ফারসি পড়ে তাঁতি।
  • মোগল পাঠান হদ্দ হল, ফারসি পড়েন তাঁতি, বাঘ পালাল বিড়াল এল, শিকার করতে হাতি।
  • মোল্লার দৌড় মসজিদ অবধি/পর্যন্ত/তক।
  • মৌনং সম্মতি লক্ষনম্।

  • যঃ পলায়তি স জীবতি।
  • যকের চোখে ঘুম নাই।
  • যখন আদর জুটে, ফুটকলাই দিয়ে ফুটে; যখন আদর টুটে, ঢেঁকি দিয়ে কুটে। যখনকার যা তখনকার তা।
  • যখন তখন করে পাপ, সময় বুঝে ফলে পাপ।
  • যখন বিধি মাপায়, তখন উপরি উপরি মাপায়।
  • যখন যার কপাল ধরে শুকনো ডাঙায় ডিঙি সরে।
  • যখন যার তখন তার।
  • যখন যার পড়তা হয়, ধুলোমুঠো ধরে সোনামুঠো হয়।
  • যখন যেমন তখন তেমন।
  • যজমানী বামুনের অন্নাভাব নেই।
  • যত কর তাড়াতাড়ি, খেয়াঘাটে গড়াগড়ি।
  • যত কর পুতু পুতু, ততো হয় ছোলার ছাতু।
  • যত গর্জে ততো বর্ষে না।
  • যত দোষ নন্দ ঘোষ।
  • যত পাই ততো খাই।
  • যত বড় মুখ নয়, ততো বড় কথা।
  • যত মত, ততো পথ।
  • যত সয় ততো রয়।
  • যত হাসি ততো কান্না, বলে গেছে রামশর্মা।
  • যতই কর শিব সাধনা, কলঙ্কিনী নাম যাবে না।
  • যতই করিবে দান ততো যাবে বেড়ে[বিদ্যা]।
  • যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।
  • যতন নহিলে নাহি মিলয়ে রতন।
  • যম জামাই ভাগনা এ তিন নয় আপনা।
  • যতো ধর্ম স্ততো জয়ঃ।
  • যথারণ্যং তথা গৃহম্।
  • যদ্ দৃষ্টং তল্লিখিতম্।
  • যদু ধোপা, মধু ধোপা, সব ধোপারই এক চোপা।
  • যুদ্ধের পরে সেপাই হাজির।
  • যদি থাকে আগে পিছে, কি করে শাকে মাছে(আগে ঘি শেষে দুধ থাকলে)।
  • যদি থাকে নসিবে- আপনি আপনি আসিবে।
  • যদি থাকে বন্ধুর মন- গাং পাড় হইতে কতক্ষন।
  • যদি দেখে আঁটা আঁটি কাঁদিয়া ভিজায় মাটি।
  • যদি বরে পৌষে – কড়ি বিকায় তুষে।
  • যদি বরে মাঘে- সোনা ফলে বাগে।
  • যদি বরে মাঘের শেষ- ধন্য রাজার পূণ্য দেশ।
  • যদি বর্ষে আগনে, রাজা যায় মাগনে।
  • যদি হয় সুজন, তেঁতুল পতায় ন‘জন।
  • যদি হয় সুজন, তেতুল পাতায় নয়জন।
  • যদি হয় সোনার ভাগারি,তবু ধরে লোহার কাটারি।
  • যস্মিন্ দেশে যদাচারঃ।
  • যা নেই ভারতে তা নেই ভারতে।
  • যাকে রাখ সেই রাখে।
  • যার মনে যা – ফালদা ওঠে তা।
  • যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।
  • যাদৃশী ভাবনা যস্য সিদ্ধির্ভবতি তাদৃশী।
  • যাবজ্জীবেৎ সুখং জীবেৎ ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ; ভস্মীভূতস্য দেহস্য পুনরাগমনং কুতঃ।
  • যার আছে মাটি,তারে নাহি আঁটি।
  • যার কাজ তারেই সাজে, অন্য লোকের লাঠি বাজে।
  • যার কেউ নেই তার ভগবান আছে।
  • যার গলা ধরে কাঁদি, তার নাহি পানি।
  • যার ছেলে যত পায়, তার ছেলে ততো চায়।
  • যার জন্য করি চুরি সে-ই বলে চোর।
  • যার দৌলতে চুয়া চন্দন, তারি পাতে খোলার ব্যঞ্জন।
  • যার ধন তার ধন নয়, নেপোয় মারে দই।
  • যার নুন খাই তার গুণ গাই।
  • যার বিয়া তার খবর নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই।
  • যার বিয়ে তার মন নেই, পাড়াপড়শির ঘুম নেই।
  • যার যা রীত,ছাড়ে কদাচিৎ।
  • যার শিল, যার নোড়া, তারই ভাঙি দাঁতের গোড়া।
  • যারে না বামুন বলি তার গায়ে নামাবলী।
  • যারে নিন্দে, তারে পিন্দে।
  • যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।
  • যারে বললে ছি, তার রইল কি?
  • যাহা বাহান্ন তাহা তিপ্পান্ন।
  • যে কুকুর ঘেউ ঘেউ করে সে কুকুর কামড়ায় না।
  • যে কথা রটে, তার কতক বটে।
  • যে মুলোটা বাড়ে তা পত্তনেই বুঝা যায়।
  • যে বাতাসে দাবানল বাড়ে, সেই বাতাসেই প্রদীপ নেভে।
  • যে যায় লঙ্কায় সে-ই হয় রাবণ।
  • যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে।
  • যে সহে সে রহে।
  • যেই গরু দুধ দেয়- তার লাথি খাওয়াও ভাল।
  • যেই ছাও ওড়ে, ঘরের ভিতরেই ওড়ে।
  • যেই না মাইয়ার চেয়ারা, নাম রাইখছে ফেয়ারা।
  • যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই সন্ধে হয়।
  • যেখানেই আঁটাআঁটি, সেখানেই লাঠালাঠি।
  • যেন তেন প্রকারেণ।
  • যেমন কর্ম তেমনি ফল, মশা মারতে গালে চড়।
  • যেমন সরা, তেমনি হাঁড়ি, গড়ে রেখেছে কুমোর বাড়ি।
  • যোগ্যং যোগ্যেন যুজ্যতে।

  • রুক্ষ মাথায় তেল দেয় না, তেলা মাথায় তেল।
  • রক্ষকে ভক্ষণ করে, কে তারে রাখতে পারে?
  • রঙ থাকলে রাঙা কড়ি, রঙ ফুরোলে গড়াগড়ি।
  • রতনে রতন চেনে।
  • রথ দেখা আর কলা বেচা।
  • রূপে ঢল ঢল গুণে পশরা, কেঁদে ম‘ল যত ভুঁইছুঁচোরা।
  • রাই কুড়িয়ে বেল।
  • রাখে কৃষ্ণ মারে কে, মারে কৃষ্ণ রাখে কে?
  • রাজা থাকতে কোটালের দোহাই।
  • রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।
  • রাজার দোষে রাজ্য নষ্ট, স্ত্রীর দোষে স্বামীর কষ্ট।
  • রাজার রাজপাট যোগী মুনির কাঁথা।
  • রাজার রানি কানার কানী।
  • রাজারও রায়ত নয়, সাধুরও খাতক নয়।
  • রাত উপোসে হাতি পড়ে।
  • রাঁধতে দেরি সয়, বাড়তে দেরি সয় না।
  • রান্না খেতে কান্না পায়।
  • রাম না হতে রামায়ণ।
  • রাম ভজি কি রহিম ভজি?
  • রাম লক্ষণ দুটি ভাই, রথে চড়ে স্বর্গে যাই।
  • রামের ভাই লক্ষণ আর কি!
  • রোগ মুড়িতে[মাথায়] আর ভুঁড়িতে।
  • রোগের শেষ, আগুনের শেষ, শত্রুর শেষ, ঋণের শেষ, এ সবের শেষ রাখতে নেই।
  • রোজার[ওঝা] ঘাড়ে বোঝা।

  • লক্ষ্মীর ঘরে কাল পেঁচা।
  • লক্ষ্মীর পো ভিখ মাগে গো।
  • লুকিয়ে খেলে শুকিয়ে যায়।
  • লঙ্কায় রাবণ ম‘ল, বেহুলা কেঁদে রাঁড়ী হল।
  • লজ্জা নেই যায়, রাজা হারে তায়।
  • লম্বা কোঁচায় নমস্কার।
  • ললাটলিপি খণ্ডন করা যায় না।
  • লাই কুত্তার পাতে ভাত।
  • লাউশাকের বালি, আর অন্তরের কালি।
  • লাখ কথার ওপর এক কথা।
  • লাখ টাকা লাখ টাকা, দুকুড়ি দশ টাকা।
  • লাখ টাকা লাখ টাকা, তিন কুড়ি তিন টাকা
  • লাখ টাকায় বামুন ভিখারি।
  • লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।
  • লাগে তুক্ না লাগে তাক্।
  • লাজে বউ খান না, চালতা হেন গ্রাস।
  • লাজের মাথায় পড়ুক বাজ, সাধ গিয়ে আপন কাজ।
  • লাট সাহেব আর কি!
  • লাথ সয় তো বাত সয় না।
  • লাথির কাজ কি চড়ে হয়?
  • লাথির ঢেঁকি কি চড়ে ওঠে?
  • লাথির ঢেঁকি মাথয় চড়ে।
  • লাভে লোহা বয়।
  • লাভের গুড় পিঁপড়েয় খায়।
  • লিখিব পড়িব মরিব দুঃখে, মৎস্য মারিব খাইব সুখে।
  • লেখা নয় যেন আরশোলার পায়ের ছাপ।
  • লেখা পড়া করে যেই, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সেই।
  • লেগে থাকলে মেগে খায় না।
  • লেঙটার নাই বাটপারের ভয়।
  • লোকে বলে আছে ভাল, শালুক খেয়ে দাঁত কালো।
  • লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।
  • লোম বাছতে কম্বল উজাড়।
  • লোহা পাথরে যুদ্ধ করে, শোলা দিদি পুড়ে মরে।

  • শংকরাকে খেলে বাঘে, অন্যেরা কোথায় লেগে?
  • শকুন যতই উপ্রে উঠুক তার নজর নিচেই থাকে।
  • শকুনের দোয়ায় গরু মরে না।
  • শক্ত মাটিতে বিড়াল আঁচড়ায় না।
  • শক্তের তিনকুল মুক্ত।
  • শক্তের ভক্ত নরমের যম/বাঘ।
  • শুকনো ডাল ভাঙলেও নোয় না।
  • শুকনো কাঠে ব্রহ্মশাপ।
  • শুকনো গাছে জল সেঁচা।
  • শুকনো ডাঙায় আছাড় খাওয়া।
  • শঠে শাঠ্যং সমাচারেৎ।
  • শুঁড়ির সাক্ষী মাতাল।
  • শতং বদ মা লিখ।
  • শতং মাড়িং ভবেৎ বৈদ্যঃ, সহস্র মাড়িং চিকিৎসকঃ[মাড়িং=ঘোঁটানো]।
  • শত্রুর মুখে ছাই দেওয়া।
  • শত্রুর শেষ রাখতে নাই।
  • শুকাইলেও আদার ঝাঝ যায় না।
  • শুধু কথায় চিঁড়ে ভেজে না।
  • শুধু গৌর নয়, গৌরহরি।
  • শুধু মেঘে মাটি ভেজে না।
  • শুয়োরের কপালে সিন্দুর লাগে না।
  • শূন্য কলসি বাজে বেশি।
  • শনির দৃষ্টি হলে পোড়া শোলও পালায়।
  • শনৈঃ পর্বত লঙ্ঘনম্।
  • শ্বশুর বাড়ি মধুর হাঁড়ি, তিন দিন পরে ঝাঁটা বাড়ি।
  • শ্বা যদি ক্রিয়তে রাজা, স কিং নাশ্নাত্যুপানহম্।
  • শ্বেত চামর আর কোষ্টা পাট(এক নয়)।
  • শুভস্য শীঘ্রম্ অশুভস্য কালহরণম্।
  • শমন-দমন রাবণ রাজা, রাবণ-দমন রাম।
  • শ্যাম রাখি না কুল রাখি?
  • শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়ে সেই বাঘে মানুষ মারে।
  • শুয়োরের কপালে গঙ্গামাটির ফোঁটা।
  • শ্রদ্ধার যা পাই হাত পেতে খাই।
  • শরীরং খলু ব্যাধিমন্দিরম্।
  • শরীরমাদ্যং খলু ধর্মসাধনম্।
  • শরীরের নাম মহাশয়, যা সওয়াবে তাই সয়।
  • শসাবেচুনি বেচে শশা, তার হয়েছে সুখের দশা।
  • শাক অম্বল পান্তা, তিন ওষুধের হন্তা।
  • শাক দিয়ে মাছ ঢাকা।
  • শাক-চোরকে শূলে।
  • শাঁখাহাতী শাখা নাড়ে, বেড়াল ভাবে ভাত বাড়ে।
  • শাঁখের করাত আসতেও কাটে যেতেও কাটে।
  • শানকির উপরে বজ্রাঘাত।
  • শাপে বর হওয়া।
  • শামুক দিয়ে সাগর সেঁচা।
  • শাল চোরকে শূলে দেওয়া।
  • শালুক চিনেছেন গোপাল ঠাকুর।
  • শালগ্রাম পোড়ায়ে খেয়ে নুড়ি দেখে ভয়।
  • শালগ্রামের শোয়া বসা সমান।
  • শিং ভেঙে বাছুরের দলে ঢোকা।
  • শিকল কাটা টিয়া পোষ মানে না।
  • শিকারি বেড়ালের গোঁফ দেখলে চেনা যায়।
  • শিখলি কোথা, না দেখলাম যেথা।
  • শিখেছ কোথায়, ঠেকেছি যেথায়।
  • শিব গড়তে বাঁদর হল।
  • শিবের কন্যা শিবকে দান।
  • শিবের সঙ্গে খোঁজ নেই গাজনের ঘটা।
  • শিয়রে রাজা, কোটালের দোহাই।
  • শিরে কৈলে সর্পাঘাত তাগা বাঁধবি কোথা?
  • শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা।
  • শেয়ানা ঘুঘুর ছা, ফাঁদে দেয় না পা।
  • শেয়ানে শেয়ানে কোলাকুলি।
  • শেয়ালের বাড়ি নিমন্ত্রণ, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।
  • শেষ রক্ষাই রক্ষা।

  • ষট্‌কর্ণে মন্ত্রভেদ।
  • ষাঁড়ের শত্রু বাঘে মারে।
  • ষেঠের বাছা ষষ্ঠীর দাস।
  • ষোল আনা বাজিয়ে নেওয়া।
  • ষোল আনাই ভুয়ো, ষোল কড়াই কানা।
  • ষোল আনাই লাভ।

  • স‘য়ে থাকলে র‘য়ে যায়।
  • সংসর্গজা দোষগুণা ভবন্তি।
  • সংসার আনন্দময় যার মনে যা লয়।
  • সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে ।
  • সকল নোড়াই শালগ্রাম হলে হলুদ বাটি কিসে?
  • সকল পাখিতেই মাছ খায়, নাম পড়ে মাছরাঙার।
  • সকল ব্রতই করলে যশী, বাকি আছে ভীম একাদশী।
  • সকালে পেঁয়াজ খাইলে বৈকালেও ঢেউক আইয়ে।
  • সখা যার সুদর্শন[কৃষ্ণ] তার সঙ্গে কি সাজে রণ?
  • সখি লো সখি আপনার মান আপনি রাখি।
  • সুখে থাকতে ভূতে কিলোয়।
  • সুখের ঘরে রূপের বাসা।
  • সুখের চেয়ে স্বস্তি ভাল।
  • সুখের প্রাণ গড়ের মাঠ।
  • সঙ্গ দোষে কি না হয়, ছুঁচো ছুঁলে গন্ধ হয়।
  • সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে।
  • সজনে শাক বলে আমি সকল শাকের হেলা, আমার খোঁজ কেবল টানাটানির বেলা।
  • সজনে শাকে নুন জোটে না, মসুর ডালে ঘি।
  • সুঁচ গড়তে জানে না, বন্দুকের বায়না নেয়।
  • সুঁচ গলে না কোদাল চালায়।
  • সুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোনো।
  • সুঁচ, সোহাগা, সুজন, ভাঙ্গা গড়ে তিনজন।
  • সুজন-পিরিত সোনা, ভেঙে গড়া যায়;কুজন-পিরিত কাচ, ভাঙিলে ফুরায়। সুদিনের বারো ভাই, কুদিনের কেউ নাই।
  • সূর্যের চেয়ে বালু গরম।
  • স্ত্রিয়াশ্চরিত্রং পুরুষস্য ভাগ্যং দেবা ন জানন্তি কুতো মনুষ্যাঃ।
  • স্ত্রী ভাগ্যে ধন, পুরুষ ভাগ্যে জন।
  • স্ত্রী রত্নং দুষ্কুলাদপি।
  • স্ত্রীবুদ্ধি প্রলয়ংকরী।
  • সতী হল কবে, সে মরেছে যবে(মৃত্যুর পরে সতীত্বের নিশ্চয়তা প্রাপ্তি)। সত্যের দ্বারে আগড় নাই।
  • সদরে সূঁচ চলে না, মফস্‌সলে[মফঃস্বল] হাতি চলে।
  • সন্দেশের খোসা ফেলে খাওয়া।
  • সন্ন্যাসীর অল্প ছিদ্র গায় সর্বজন, শুভ্রবস্ত্রে মসীবিন্দু দেখায় যেমন।
  • সন্নেসি চোর, না বোঁচকায় ঘটায়।
  • স্পষ্ট কথায় কষ্ট নাই।
  • সফরী ফর্ফরায়তে। অগাধজলসঞ্চারী বিকারী ন চ রোহিতঃ; গণ্ডূষজলমাত্রেণ সফরী ফর্ফরায়তে।
  • সব কাজে যার হুঁশ, তারে কয় মানুষ।
  • সব জন্তু মোট বয় ধরা পড়েছে গাধা।
  • সব ঝিনুকে মুক্তা নেই।
  • সব ভালো যার শেষ ভালো।
  • সব রসুনের একই কোয়া।
  • সব শিয়ালের এক রা।
  • সব শেয়ালে কাঁটাল খেলে বকের মুখে আঠা।
  • স্বদেশের ঠাকুর, বিদেশের কুকুর।
  • স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ পরধর্মো ভয়াবহঃ।
  • স্বনামা পুরুষো ধন্যঃ।
  • স্বভাব যায় না ম‘লে, ইল্লত যায় না ধুলে।
  • স্বভাবে করে না অভাবে করে।
  • স্বর্গ হতে পাওয়া।
  • স্বর্গে তুলে দেওয়া।
  • স্বর্গে দাসত্ব অপেক্ষা নরকে রাজত্ব ভাল।
  • সবুরে মেওয়া ফলে।
  • স্বল্পা বিদ্যা ভয়ংকরী।
  • সবাই কৃষ্ণের নাম করে আমি বললেই মারে।
  • সবাইকে পারা যায়, পায়ে পড়াকে পারা যায় না।
  • স্বর্ণকারের খুটখাট কামারের এক ঘা!
  • স্বামী নাই, পুত্র নাই, কপালভরা সিঁদুর, ধান নাই, চাল নাই, গোলাভরা ইঁদুর।
  • স্বামীর কিবা সুখ, পৌষমাসে ভাতের দুখ।
  • স্বামীর মা শাশুড়ি, তারে বড় মানি, কোথা হতে এলেন আমার খুড় শাশ-ঠাকুরানী।
  • স্রোতে ঘা ঢালা।
  • সবে কলির সন্ধে।
  • সবে ধন নীলমণি।
  • সমুদ্রে পাতিয়া শয্যা শিশিরে কি ভয়?
  • সমুদ্রে পাদ্য অর্ঘ্য।
  • সমুদ্রের জল বাড়েও না কমেও না।
  • সম্পূর্ণকুম্ভো ন করোতি শব্দম্।
  • সময় কারও হাতে ধরা নয়।
  • সময়গুণে আপন পর, খোঁড়া গাধার ঘোড়ার দর।
  • সময়ে না দেয় চাষ, তার দুঃখ বারোমাস।
  • সময়ের এক কথা অসময়ে শত।
  • সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়।
  • সর্বঃ কান্তমাত্মীয়ং পশ্যতি।
  • সর্বমত্যন্তগর্হিতম্।
  • সৎসঙ্গে স্বর্গবাস অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।
  • সস্তার তিন অবস্থা।
  • স-সে-মি-রা[চারটি সংস্কৃত শ্লোকের প্রথম অক্ষর]।
  • সাজতে গুজতে দোল ফুরাল।
  • সাত কুঁড়ের ঘর গোঁসাই রক্ষা কর।
  • সাত কাণ্ড রামায়ণ পড়ে সীতা রামের পিসি।
  • সাত খুন মাফ।
  • সাত ঘাটের জল একঘাটে করা।
  • সাত ঘাটের জল খাওয়া।
  • সাত ঘাটের জল খাওয়ানো।
  • সাত চড়ে মশা মারা।
  • সাত চড়ে রা‘ কাড়ে না।
  • সাত নকলে আসল খাস্তা।
  • সাত পাঁচ খতিয়ে মনে, চাষ করে না সোনার বেনে।
  • সাত বার খেয়ে একাদশী।
  • সাত মন তেলও পুড়বে না রাধাও নাচবে না।
  • সাত রাজার ধন এক মানিক।
  • সাত সতীনে ঘরকন্না, বাড়ির গিন্নি ভাত পান না।
  • সাত সতীনে নড়ি চড়ি, বেড়া আগুনে পুড়ে মরি।
  • সাত সমুদ্র তের নদী পার।
  • সাঁতার দিয়া সিন্ধু পার।
  • সাঁতার না জানলে বাপের পুকুরেও ডুবে মরে।
  • সাতেও না পাঁচেও না।
  • সাধ কত ছিল রে চিতে, মলের আগে চুটকি দিতে।
  • সাধুনাং দর্শনং পুন্যম্।
  • সাধলে জামাই কাঁটাল খান না, শেষে জামাই খোসা পান না।
  • সাধলে জামাই খায় না কাঁঠাল, ভোতা[কাঁঠালের দণ্ড] নিয়ে টানাটানি।
  • সাধে কি আর বাবা বলি গুঁতোর চোটে বাবা বলায়।
  • সাধের কমল তুলতে গিয়ে হাতে ফুটল কাঁটা।
  • সাধের কাজল পরতে গিয়ে চক্ষু হল কানা।
  • সানাইয়ের পোঁ ধরা।
  • সাপ ম‘লেই সোজা।
  • সাপ মারলে শিবের লাগে।
  • সাপ যেখানে নেউল সেখানে।
  • সাপ হয়ে দংশে ওঝা হয়ে ঝাড়ে।
  • সাপও মরে লাঠিও না ভাঙে।
  • সাপকে দুধ খাওয়ালেও বিষ কমে না।
  • সাপে ডরায় ব্যাঙাকে, ব্যাঙা ডরায় সাপকে।
  • সাপের ছুঁচো গেলা।
  • সাপের পাঁচ পা দেখেছ?
  • সাপের লেখা বাঘের দেখা।
  • সাপের লেজে পা দেওয়া।
  • সাপের হাঁচি বেদেয় চেনে।
  • সাবধানের মার নেই।
  • সারা দিন থাকব নায়, কখন দিব খড়ম পায়?
  • সারা দিন বঁড়শি হাতে, সন্ধেবেলা আমড়া ভাতে।
  • সারা দিন যায় হেসে খেলে, সন্ধেবেলা বৌ কাপাস(কার্পাস তুলো) ডলে।
  • সারা রাইত মারলাম সাপ- জাইগ্যা দেখি দড়ি।
  • সিংহের বেটা শেয়াল হয় না।
  • সিংহের ভাগ শেয়ালে খায়।
  • সিধে আঙুলে ঘি ওঠে না।
  • সিন্দুকের কাছে ধার করা।
  • সিন্নি দেখে এগোয়, কোঁৎকা দেখে পিছোয়।
  • সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর।
  • সে কাল গেছে বয়ে, এঁটে কচু খেয়ে।
  • সে গুড়ে বালি।
  • সে বড় কঠিন ঠাঁই গুরু শিষ্যে দেখা নেই।
  • সে রামও নাই, সে অযোধ্যাও নাই।
  • সেই কড়ি ক্ষয় তবু বৌ সুন্দর নয়।
  • সেই গাধা জল খায়, তারে ঘুলিয়ে ঘুলিয়ে নেয়।
  • সেই তো মল খসালি, তবে কেন লোক হাসালি?
  • সেই ধানে সেই চাল, গিন্নি বিনে আলথাল।
  • সেই বুড়ি নাচে কত কাচা কাচে।
  • সেকরা বাড়ির বিড়াল ঠুকঠুকুনিতে ভয় পায় না।
  • সেকরার ঠুকঠাক কামারের এক ঘা।
  • সেধে পেড়ে ভাব, আর মেজে ঘষে রূপ।
  • সেধো ভাত খাবি, না হাত ধুয়ে বসে আছি।
  • সেয়ানে ঠকলে বাপকেও বলে না।
  • সোজা আঙুলে ঘি ওঠে না।
  • সোঁদর বনের বাঁদর রাজা।
  • সোনা ফেলে আঁচলে গেরো।
  • সোনা বলে জ্ঞান ছিল, কষিতে পিতল হল।
  • সোনার আংটি আবার ব্যাকা-সুজা।
  • সুনার আংটি আবার ব্যাকা-সুজা।
  • সোনার উপর মিনের কাজ।
  • সোনার ওজন কুঁচের সহিত।
  • সোনার থালে ক্ষুদের জাউ।
  • সোনার দাঁড়ে কাক বসানো।
  • সোনার লঙ্কা ছারখার।
  • সোমে বুধে ধানের গোলায় না দিও হাত, ধার করে খেও ভাত।
  • সৌরভে ভ্রমর মজে।

  • হংসমধ্যে বকো যথা।
  • হাঁ কর তুমি, বত্রিশ নাড়ি গুনি আমি।
  • হওয়া ভাতে কাঠি।
  • হক কথা বলব, বন্ধু বেগড়ায় বেগড়াবে, পেট ভরে খাব, লক্ষ্মী ছাড়ে ছাড়বে। হক কথার মার নেই।
  • হক কথাতে আহাম্মক রুষ্ট।
  • হবু ছেলের অন্নপ্রশান।
  • হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী।
  • হয় না হয় বিয়ে, ঢাক বাজাও গিয়ে।
  • হয় যদি তিলটা, কয় তবে তালটা।
  • হয়কে নয়, নয়কে হয় করা।
  • হ্যাঁপায় পড়ে ট্যাপা ভাসে স্রোতে।
  • হরি ঘোষের গোয়াল।
  • হরি বড় দয়াময়, কথায় বটে কাজে নয়।
  • হরি বাঁচান প্রাণ বৈদ্যের বাড়ে মান।
  • হরির খুড়ো মাধাই দাস(সম্পর্কহীন)।
  • হরে দরে হাঁটু জল।
  • হলুদ জব্দ শিলে, ঝি/বউ জব্দ কিলে, পাড়াপড়শি জব্দ হয় চোখে আঙুল দিলে।
  • হলুদ গুঁড়ো, নুনের গুঁড়ো(সকল কাজে হস্তক্ষেপ করা লোক)।
  • হা‘ল ছেড়ে দেওয়া।
  • হা‘ল যদি ধরে ঠেসে, যায় কি তরী তুফানে ভেসে?
  • হা‘লে পানি পায় না।
  • হাকিম নড়ে তো হুকুম নড়ে না।
  • হাগা নাই গোয়ার ডাক কত!
  • হাগুন্তির লাজ নাই, দেখুন্তির লাজ।
  • হাজার টাকা দিলেও কাটা কান জোড়া লাগে না।
  • হাঁটবার আগে হামাগুড়ি।
  • হাটে কলা নৈবেদ্যায় নমঃ।
  • হাটে কি দর চাল, না মামার ভাতে আছি।
  • হাটে গেল কার মা, দেখে এল বাঘের পা।
  • হাটে হাঁড়ি ভাঙা।
  • হাড় এক ঠাঁই মাস এক ঠাঁই করা।
  • হাড় খাব মাস খাব, চাম দিয়ে ডুগডুগি বাজাব।
  • হাঁড়ির ভাত একটা টিপলেই সবার খবর মেলে।
  • হাড়ে ভেলকি খেলে।
  • হাত ঝাড়লে পর্বত।
  • হাত দিয়ে জল গলে না।
  • হাতি কাদায় পড়লে চামচিকেও লাথি মারে।
  • হাতি পড়লে আড়ে চামচিকেতেও লাথি মারে।
  • হাতি ঘোড়া গেল তল, ভেড়া বলে কত জল?
  • হাতি চড়ে ভিক্ষে মাঙি, ইচ্ছেয় না দাও ঘর ভাঙি।
  • হাতি দিয়ে হাতি ধরা।
  • হাতি পড়েছে দকে, ঠোকর দিচ্ছে বকে।
  • হাতি পাঁকে পড়লে হাতিই উদ্ধার করে।
  • হাতি মরলেও গাধার চেয়ে উচা থাকে।
  • হাতি মরলেও লাখ টাকা।
  • হাতি মলে‘ও ঘোড়ার দুনো।
  • হাতির কাঁধে আসে যায়, হাম্বারবে মুচ্ছো যায়।
  • হাতির দম্ভ চূর্ণ হয় পাহাড়ের কাছে।
  • হাতে কড়ি পায়ে বল, তবে যাই নীলাচল।
  • হাতে কালি মুখে কালি বাছা আমার লিখে এলি?
  • হাতে দই পাতে দই, তবু বলে কই কই?
  • হাতে না মেরে ভাতে মারা।
  • হাতে নেই কানাকড়ি, করে বেড়ায় বাড়াবাড়ি।
  • হাতে পাঁজি মঙ্গলবার।
  • হাতে মাথা কাটা।
  • হাতে যদি নাই ধন, পাঁচে হও এক মন।
  • হাতে যদি ফল পাই, তবে কি আঁকশি চাই।
  • হাতের পাঁচ আঙুল সমান হয় না।
  • হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা।
  • হাতের শাঁখা দর্পণে দেখা।
  • হাতেরও যাবে পাতেরও যাবে।
  • হাভেতে যবে ফকির হল, দেশেও মন্বন্তর এল।
  • হাভেতের দুনো গ্রাস।
  • হায় রে আমড়া, কেবল আঁটি আর চামড়া।
  • হারিয়ে তারিয়ে কাশ্যপ গোত্র।
  • হারিলে ঘরের ভাত, জিতিলেও তাই।
  • হালে বয় না, তেড়ে গুঁতোয়।
  • হিঁদু যদি মুসলমান হয়, মুরগি খেতে কম নয়।
  • হিঁদু মোছলমান হলে গরু খায় গিলে গিলে।
  • হিসেবের গরু বাঘে খায় না।
  • হেলায় কর্ম নষ্ট, বুদ্ধি নষ্ট নির্ধনে, যাচনে মান নষ্ট, ভোজন নষ্ট দই বিনে।
  • হেলে ধরতে পারে না কেউটে ধরতে যায়।
  • হেলে যায় চষতে, বামুন যায় বসতে।
  • হেলে যায় হাল নিয়ে, বিধাতা যায় তুল[তুলাদণ্ড] নিয়ে।
  • হেসে হেসে কথা কয় সে হাসি তো ভালো নয়।
  • হোদল বনে শিয়াল রাজা

Download From Google Drive  

Download

Download From Yadex

Download

Tags