Online Apply Info

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইনে আবেদন ও ফি জমাদানের পদ্ধতি । www.xiclassadmission.gov.bd

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সার্কুলার ও প্রয়োজনীয় সকল তথ্য জেনে নিন।

সরকারি-বেসরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রকাশিত নীতিমালা অনুসারে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ০৯/০৮/২০২০ সকাল ৭.০০ টা হতে ২০/০৮/২০২০ ইং পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।

বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করা হবে। এবছর শুধু অনলাইনে আবেদন করা যাবে। বিগত বছরের মত এবার আর এসএমএস পদ্ধতি থাকছে না অনলাইনে একজন প্রার্থী সর্বনিম্ন ০৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করতে পারবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য।

@আবেদন, ফল প্রকাশ, ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সময়সূচিঃ- ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য নিম্নোক্ত সময়সূচি অনুসরণ করতে হবে।

  • ভর্তির অন-লাইনে আবেদন গ্রহণ :- ০৯/০৮/২০২০ থেকে ২০/০৮/২০২০
  • ১ম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ ২৫/০৮/২০২০ (রাত ৮-০০ )
  • শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে) ২৬/০৮/২০২০ থেকে ৩০/০৮/২০২০ (রাত ৮-০০ পর্যন্ত)
  • ২য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহন ৩১/০৮/২০২০ থেকে ০২/০৯/২০২০ (রাত ৮-০০ পর্যন্ত)
  • পছন্দক্রম অনুযায়ী ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ ০৪/০৯/২০২০ (রাত ৮-০০ টায়)
  • ২য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ ০৪/০৯/২০২০ (রাত ৮-০০ টার পর)
  • ২য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে) ০৫/০৯/২০২০ থেকে ০৬/০৯/২০২০ (বিকাল ৫টা পর্যন্ত)
  • ৩য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহন ০৭/০৯/২০২০ থেকে ০৮/০৯/২০২০
  • পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ ১০/০৯/২০২০ (রাত ৮-০০ টার পর)
  • ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ ১০/০৯/২০২০ (রাত ৮-০০ টার পর)
  • ৩য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন ( শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ৩য় পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে) ১১/০৯/২০২০ থেকে ১২/০৯/২০২০ (রাত ৮টা পর্যন্ত)
  • কলেজ কর্তৃক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ – ১৩/০৯/২০২০ (সকাল ৮ঃ০০ টায়)
  • ভর্তি ১৩/০৯/২০২০ থেকে ১৫/০৯/২০২০

কোন কলেজে কতটি সিট খালি আছে এবং ভর্তি হতে কত পয়েন্ট লাগে তা জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন

প্রার্থী নির্বাচনে অনুসরণীয় পদ্ধতিঃ-

  • প্রার্থী নির্বাচনে কোন বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
  • বিভাগীয় এবং জেলা সদরের কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৮৯ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অবশিষ্ট আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তান, ৩ শতাংশ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের এলাকার শিক্ষার্থী, ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্ত দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সন্তানদের জন্য, ০.৫ শতাংশ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এবং অপর ০.৫ শতাংশ প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। যদি উপর্যুক্ত কোটায় প্রার্থী না পাওয়া যায় টবে সাধারণ কোটার শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র দাখিল করতে হবে। শিক্ষা, বিকেএসপি এবং প্রবাসীদের সন্তান কোটার ক্ষেত্রে ভর্তির সময় উপযুক্ত প্রমানপত্র দাখিল করতে হবে।
  • সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।
  • বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ ও রসায়নে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় নিতে হবে।
  • মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান জিপিএ নিষ্পত্তির জন্য পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত জিপিএ বিবেচনা করা হবে।
  • এক বিভাগের প্রার্থী অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট গ্রেড পয়েন্ট একই হলে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
  • স্কুল ও কলেজ সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজ প্রতিষ্ঠানের স্ব স্ব বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শূন্য আসনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উপরোক্ত নিয়মাবলী অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে। তবে এ সকল প্রতিষ্ঠানের সকল ভর্তিই অনলাইন হবে।

আবেদন পদ্ধতি:- (ক) নিম্নলিখিত নিয়মে আবেদন Submit করতে হবে।
১. টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/নগদ/সোনালী ব্যাংক/রকেট এর আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা দেয়ার পর
আবেদনকারীকে নির্ধারিত website-এ (www.xiclassadmission.gov.bd) যেয়ে “Apply Online” Button-এ ক্লিক করতে হবে; এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে
এন্ট্রি দিতে হবে। আবেদনকারীর দেয়া তথ্য সঠিক হলে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত এচঅ দেখতে পাবেন।
২. এরপর শিক্ষার্থীর Contact Number (ফি প্রদানের সময় শিক্ষার্থী প্রদত্ত নিজের/অভিভাবকের মোবাইল নম্বর) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা দিতে হবে।
৩. অতঃপর তাঁকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রæপ, শিফট এবং ভার্সন Select করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি ও সর্বনিম্ন ৫টি কলেজ/মাদরাসা Select করতে পারবে। এই ফরমে আবেদনকারী তাঁর সকল আবেদনের পছন্দক্রম নির্ধারণ করতে পারবেন।
৪. এরপর আবেদনকারী “Preview Application” Button-এ ক্লিক করলে তার আবেদনকৃত কলেজসমূহের তথ্য ও পছন্দক্রম দেখতে পারবেন।
৫. Preview এ দেখানো তথ্যসমূহ সঠিক থাকলে আবেদনকারী “Submit” Button-এ ক্লিক করবেন।
৬. আবেদনটি সফলভাবে Submit করা হলে আবেদনকারী তাঁর প্রদত্ত Contact Number-এর মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ SMS পাবেন এবং যাতে একটি সিকিউরিটি কোড (Security Cod) থাকবে। এই Security Code টি গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে, যা পরবর্তীতে আবেদন সংশোধন ও ভর্তি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।
৭. আবেদনকারী চাইলে তাঁর আবেদনসমূহের তথ্যাদিসহ উক্ত ফরমটি Download করে প্রিন্ট (Print) নিতে পারবেন।


(খ) উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দেয়ার পরও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি পরীক্ষার GPA দেখতে না পেলে, তাঁকে আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা
দেয়ার Transaction ID টি এন্ট্রি দিতে হবে এবং ফি প্রদানের জন্য তিনি যেই অপারেটর (টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ / নগদ/সোনালী ব্যাংক/রকেট) ব্যবহার করেছে তাকে Select করতে হবে। পরবর্তীতে ৩০ মিনিট পর ইন্টারনেটে আবেদন করার জন্য পূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে অনুসরণ করতে হবে।
কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে):-
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য কোটায় (FQ) ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী তথ্য-ছকের নির্দিষ্ট স্থানে FQ কোটা Select করবেন। কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদ পত্র থাকতে হবে এবং পরবর্তীতে কলেজ/মাদ্রাসা কর্তৃক
যাচাইকরণ হবে বিধায় কোটার অপশন (Option) দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
পছন্দক্রম পরিবর্তন:-
একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) বার ইন্টারনেটে ঢুকে কলেজের পছন্দক্রম এবং কলেজ পরিবর্তন করতে পারবে।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সকল তথ্য একসাথে দেখে নিন

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!
Close
Close